বগুড়ায় ১ কলাগাছে ৩০ মোচা, উৎসুকদের ভিড়

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩
  • ১৭১৩ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার শিবগঞ্জের পল্লিতে একটি কলাগাছ থেকে একসঙ্গে ৩০টি কলার মোচা বের হয়েছে। বিরল এ ঘটনা দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন ওই গ্রামে। উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের পাকুরিয়া গ্রামের কৃষক রেজাউল করিমের কলাগাছ থেকে এই কলার মোচাগুলো বের হয়েছে।

কৃষক রেজাউল করিম বলেন, ‘আমার নার্সারির জমির পাশে বিচি কলার কয়েকটি গাছ লাগিয়েছি। এর মধ্যে একটি গাছ থেকে ৩০টি ছোট ছোট মোচা বের হয়েছে। ইতিপূর্বে কখনো এমনটি ঘটেনি। প্রতিদিন বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ কলাগাছটি দেখতে আসছে।’

ওই এলাকার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এর আগে কখনো এমন ঘটনা দেখিনি বা শুনিনি। একেবারেই আশ্চর্যজনক ঘটনা। গাছটি দেখতে আশপাশের লোকজন ভিড় করছে।’

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আল মুজাহিদ সরকার বলেন, এমন ঘটনা আগে শুনিনি। বিষয়টি সম্পর্কে মসলা গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তরা ভালো বলতে পারবেন।

শিবগঞ্জ মসলা গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জুলফিকার হায়দার প্রধান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে এই মুহূর্তে আমি কিছু বলতে পাচ্ছি না। তবে, এ বিষয়ে পরে জানাতে পারব।’

 

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় ১ কলাগাছে ৩০ মোচা, উৎসুকদের ভিড়

আপডেট সময় : ০৫:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩

বগুড়ার শিবগঞ্জের পল্লিতে একটি কলাগাছ থেকে একসঙ্গে ৩০টি কলার মোচা বের হয়েছে। বিরল এ ঘটনা দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করছেন ওই গ্রামে। উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের পাকুরিয়া গ্রামের কৃষক রেজাউল করিমের কলাগাছ থেকে এই কলার মোচাগুলো বের হয়েছে।

কৃষক রেজাউল করিম বলেন, ‘আমার নার্সারির জমির পাশে বিচি কলার কয়েকটি গাছ লাগিয়েছি। এর মধ্যে একটি গাছ থেকে ৩০টি ছোট ছোট মোচা বের হয়েছে। ইতিপূর্বে কখনো এমনটি ঘটেনি। প্রতিদিন বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ কলাগাছটি দেখতে আসছে।’

ওই এলাকার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এর আগে কখনো এমন ঘটনা দেখিনি বা শুনিনি। একেবারেই আশ্চর্যজনক ঘটনা। গাছটি দেখতে আশপাশের লোকজন ভিড় করছে।’

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আল মুজাহিদ সরকার বলেন, এমন ঘটনা আগে শুনিনি। বিষয়টি সম্পর্কে মসলা গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তরা ভালো বলতে পারবেন।

শিবগঞ্জ মসলা গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জুলফিকার হায়দার প্রধান বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে এই মুহূর্তে আমি কিছু বলতে পাচ্ছি না। তবে, এ বিষয়ে পরে জানাতে পারব।’