৯৯৯- এ ফোন : লঞ্চ থেকে নদীতে পড়ে যাওয়া জোহরাকে জীবিত উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩
  • ১৬৬৪ বার পড়া হয়েছে

শরিীয়তপুরের  গোসাইরহাট থেকে লঞ্চে ঢাকায় যাওয়ার পথে কোদালপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে পড়ে যাওয়ার ১১ ঘন্টা পর জোহরা বেগম (৩৭) নামের এক নারীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ ফোন কলে পুলিশ ও কোস্টগার্ড তাকে উদ্ধার করতে অভিযান শুরু করে।পরে জোহরা বেগমকে উদ্ধার করে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। জোহরা বেগম এখন সুস্থ আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী জহিরুল হক ।

স্বজন ও গোসাইরহাট থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, জোহরা বেগম, তার স্বামী জহিরুল হক ও দুই ছেলেসহ ঈদে বেড়ানো শেষে বাবার বাড়ি থেকে গতকাল বুধবাররাতে ঈগল-৩ লঞ্চযোগে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তিনি (জোহরা) পানের সাথে জর্দা খেয়ে মাথায় চক্কর দিলে সে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কোদালপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক তার স্বামী জহিরুল (৪২) জাতীয় জরুরী সেবা-৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশসহ কোস্টগার্ড তাকে উদ্ধার করতে অভিযান শুরু করে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ঠান্ডাবাজার এলাকা থেকে কোস্টগার্ড জোহরা বেগমকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে গোসাইরহাট থানা পুলিশের সহায়তায় গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার পায়ে আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

জোহরার স্বামী জহিরুল বলেন, ‘শশুর বাড়ি বেড়ানো শেষে দুই ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে আমার স্ত্রী পানের সাথে বেশি জর্দা খাওয়ায় মাথা ঘুরে নদীতে পড়ে যায়। তখন আমি জরুরী সেবা- ৯৯৯ এ ফোন দিলে গোসাইরহাট থানা পুলিশ ও কোস্টগার্ড ৪০ মিনিটের মধ্যে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সময় একটু বেশি লাগলেও আমার স্ত্রীকে জীবিত উদ্ধার করতে পারায় পুলিশ ও কোস্টগার্ডের প্রতি আমি  কৃতজ্ঞ। সে এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঝুঁকিমুক্ত আছেন।আজ দুপুরে কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুর রহমান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এব্যাপারে গোসাইরহাট সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ বলেন, গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের জোহরা বেগম স্বামী জহিরুল ও দুই ছেলেকে নিয়ে বুধবার রাতে ঢাকায় যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন। জরুরী সেবা-৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গোসাইরহাট থানা পুলিশ ও কোস্টগার্ড দ্রুত উদ্ধার অভিযানে নামে। দীর্ঘ প্রায় ১১ঘন্টা অভিযানের পার আজ সকাল ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৯৯৯- এ ফোন : লঞ্চ থেকে নদীতে পড়ে যাওয়া জোহরাকে জীবিত উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

শরিীয়তপুরের  গোসাইরহাট থেকে লঞ্চে ঢাকায় যাওয়ার পথে কোদালপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে পড়ে যাওয়ার ১১ ঘন্টা পর জোহরা বেগম (৩৭) নামের এক নারীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ ফোন কলে পুলিশ ও কোস্টগার্ড তাকে উদ্ধার করতে অভিযান শুরু করে।পরে জোহরা বেগমকে উদ্ধার করে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। জোহরা বেগম এখন সুস্থ আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী জহিরুল হক ।

স্বজন ও গোসাইরহাট থানা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, জোহরা বেগম, তার স্বামী জহিরুল হক ও দুই ছেলেসহ ঈদে বেড়ানো শেষে বাবার বাড়ি থেকে গতকাল বুধবাররাতে ঈগল-৩ লঞ্চযোগে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তিনি (জোহরা) পানের সাথে জর্দা খেয়ে মাথায় চক্কর দিলে সে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কোদালপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক তার স্বামী জহিরুল (৪২) জাতীয় জরুরী সেবা-৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশসহ কোস্টগার্ড তাকে উদ্ধার করতে অভিযান শুরু করে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ঠান্ডাবাজার এলাকা থেকে কোস্টগার্ড জোহরা বেগমকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে গোসাইরহাট থানা পুলিশের সহায়তায় গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার পায়ে আঘাত গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

জোহরার স্বামী জহিরুল বলেন, ‘শশুর বাড়ি বেড়ানো শেষে দুই ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে আমার স্ত্রী পানের সাথে বেশি জর্দা খাওয়ায় মাথা ঘুরে নদীতে পড়ে যায়। তখন আমি জরুরী সেবা- ৯৯৯ এ ফোন দিলে গোসাইরহাট থানা পুলিশ ও কোস্টগার্ড ৪০ মিনিটের মধ্যে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সময় একটু বেশি লাগলেও আমার স্ত্রীকে জীবিত উদ্ধার করতে পারায় পুলিশ ও কোস্টগার্ডের প্রতি আমি  কৃতজ্ঞ। সে এখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঝুঁকিমুক্ত আছেন।আজ দুপুরে কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুর রহমান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এব্যাপারে গোসাইরহাট সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ বলেন, গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের জোহরা বেগম স্বামী জহিরুল ও দুই ছেলেকে নিয়ে বুধবার রাতে ঢাকায় যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনার শিকার হন। জরুরী সেবা-৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গোসাইরহাট থানা পুলিশ ও কোস্টগার্ড দ্রুত উদ্ধার অভিযানে নামে। দীর্ঘ প্রায় ১১ঘন্টা অভিযানের পার আজ সকাল ১০টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়।