৫৫০ টাকা কেজির জিরা এক মাসের ব্যবধানে ৯০০!

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩
  • ১৬৫৭ বার পড়া হয়েছে
বাজারে বেশির ভাগ পণ্যের দামই সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। এর ব্যতিক্রম না মসলার বাজারও।
কয়েক দিনের ব্যবধানে জিরার দাম কেজিপ্রতি ২০০- ৩০০ টাকার মতো বেড়ে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে সর্বোচ্চ ৯০০ টাকায়। যা রোজার ঈদের আগেও ছিল ৫৫০-৬৫০ টাকা।
সামনে কোরবানির ঈদ, এজন্য মাংসে ব্যবহৃত অতি প্রয়োজনীয় এই পণ্যটি এখন মসলা ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াতে শুরু করেছেন। তা না হলে দেখতে দেখতে মসলার দাম এতটা বেড়ে খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৯০০ টাকা হয়ে যায় কী করে এমন প্রশ্ন বেশিরভাগ সাধারণ মানুষের।
জিরার দাম বাড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যেও। সংস্থাটি বলছে, বাজারে গত এক মাসের ব্যবধানে জিরার দাম ২৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। আর বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ৮৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
গত বছর এ সময়ে প্রতি কেজি জিরার দাম ছিল ৪০০ থেকে ৪৮০ টাকা। যা এখন ৮০০ থেকে ৮৬০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু কিছু কিছু খুচরা বাজার এবং মুদি দোকানে এই জিরা ৯০০ টাকায় বিক্রি হতেও দেখা গেছে। ইদানিং মসলা জাত পণ্যের মধ্যে দাম বাড়ার তালিকা শীর্ষে আছে দেশি ও আমদানি করা আদা। আর বাজারে দাম বাড়া পণ্যের দিক থেকে পেঁয়াজকে হার মানিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জিরা।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের বাজারে যত ধরনের জিরা আছে তা বেশির ভাগই আমদানি করা হয়। চাহিদা বাড়া বা বাজারে জিরার সংকটের চেয়ে জিরার দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের দামকে বেশি দায়ী করছেন তারা। পাশাপাশি ভারত থেকে বেশি দামে জিরা আমদানি করতে হচ্ছে। দাম বাড়ায় জিরার আমদানি আগের থেকে অনেক কমে গেছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে জিরার দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫৫০ টাকা কেজির জিরা এক মাসের ব্যবধানে ৯০০!

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩
বাজারে বেশির ভাগ পণ্যের দামই সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। এর ব্যতিক্রম না মসলার বাজারও।
কয়েক দিনের ব্যবধানে জিরার দাম কেজিপ্রতি ২০০- ৩০০ টাকার মতো বেড়ে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে সর্বোচ্চ ৯০০ টাকায়। যা রোজার ঈদের আগেও ছিল ৫৫০-৬৫০ টাকা।
সামনে কোরবানির ঈদ, এজন্য মাংসে ব্যবহৃত অতি প্রয়োজনীয় এই পণ্যটি এখন মসলা ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াতে শুরু করেছেন। তা না হলে দেখতে দেখতে মসলার দাম এতটা বেড়ে খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৯০০ টাকা হয়ে যায় কী করে এমন প্রশ্ন বেশিরভাগ সাধারণ মানুষের।
জিরার দাম বাড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যেও। সংস্থাটি বলছে, বাজারে গত এক মাসের ব্যবধানে জিরার দাম ২৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। আর বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ৮৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
গত বছর এ সময়ে প্রতি কেজি জিরার দাম ছিল ৪০০ থেকে ৪৮০ টাকা। যা এখন ৮০০ থেকে ৮৬০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু কিছু কিছু খুচরা বাজার এবং মুদি দোকানে এই জিরা ৯০০ টাকায় বিক্রি হতেও দেখা গেছে। ইদানিং মসলা জাত পণ্যের মধ্যে দাম বাড়ার তালিকা শীর্ষে আছে দেশি ও আমদানি করা আদা। আর বাজারে দাম বাড়া পণ্যের দিক থেকে পেঁয়াজকে হার মানিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জিরা।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের বাজারে যত ধরনের জিরা আছে তা বেশির ভাগই আমদানি করা হয়। চাহিদা বাড়া বা বাজারে জিরার সংকটের চেয়ে জিরার দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের দামকে বেশি দায়ী করছেন তারা। পাশাপাশি ভারত থেকে বেশি দামে জিরা আমদানি করতে হচ্ছে। দাম বাড়ায় জিরার আমদানি আগের থেকে অনেক কমে গেছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে জিরার দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।