বৃষ্টির জন্য দিনাজপুরে ইসতিসকার নামাজ আদায় ৩ হাজার মুসল্লির

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩
  • ১৬৫৯ বার পড়া হয়েছে

গতকাল সকাল ৯টায় দিনাজপুর শহরের উপকন্ঠে মিতালী সংঘ মাঠে প্রচণ্ড তাপদাহ থেকে পানাহ চেয়ে বৃষ্টির জন্য দিনাজপুরে ইসতিসকার নামাজে অংশ নিয়েছে প্রায় ৩ হাজার মুসল্লি।

বিশেষ এই নামাজ ও দোয়া পরিচালনা করেন দিনাজপুর ২ নম্বর উপশহর বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও জামিয়া আরাবিয়া হাফিজিয়া কারিয়ানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং মাদরাসার মুহাদ্দিস ওয়ালিলুল্লাহ সিরাজি ।

মুসল্লিরা নামাজে কান্নাকাটি করে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন। এদিকে গতকাল দুপুর পৌনে ৩টায় সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস চলাকালীন সময় হঠাৎ প্রচণ্ড তাপদাহের পর অবশেষে দিনাজপুরে হয়েছে স্বস্তির বৃষ্টি। আশেপাশের উত্তর পশ্চিমের কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির পাশাপাশি সামান্য  বাতাস বইলেও দিনাজপুর শহরে প্রচণ্ড রৌদ্রের পাশাপাশি ঝরেছে বৃষ্টি।  যদিও মাত্র ১০ মিনিট স্থায়ী ছিল এই বৃষ্টির ধারা। স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের রেকর্ড ছিল মাত্র ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। তবুও এই সামান্য বৃষ্টির পানিতে অনেককে দেখা গেছে স্বস্তিতে আবেগে গা ভেজাতে। অনেকেই শুকরিয়া আদায় করেন মহান আল্লাহতায়ালার নিকট ।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বৃষ্টির জন্য দিনাজপুরে ইসতিসকার নামাজ আদায় ৩ হাজার মুসল্লির

আপডেট সময় : ০২:১২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

গতকাল সকাল ৯টায় দিনাজপুর শহরের উপকন্ঠে মিতালী সংঘ মাঠে প্রচণ্ড তাপদাহ থেকে পানাহ চেয়ে বৃষ্টির জন্য দিনাজপুরে ইসতিসকার নামাজে অংশ নিয়েছে প্রায় ৩ হাজার মুসল্লি।

বিশেষ এই নামাজ ও দোয়া পরিচালনা করেন দিনাজপুর ২ নম্বর উপশহর বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও জামিয়া আরাবিয়া হাফিজিয়া কারিয়ানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং মাদরাসার মুহাদ্দিস ওয়ালিলুল্লাহ সিরাজি ।

মুসল্লিরা নামাজে কান্নাকাটি করে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন। এদিকে গতকাল দুপুর পৌনে ৩টায় সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস চলাকালীন সময় হঠাৎ প্রচণ্ড তাপদাহের পর অবশেষে দিনাজপুরে হয়েছে স্বস্তির বৃষ্টি। আশেপাশের উত্তর পশ্চিমের কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির পাশাপাশি সামান্য  বাতাস বইলেও দিনাজপুর শহরে প্রচণ্ড রৌদ্রের পাশাপাশি ঝরেছে বৃষ্টি।  যদিও মাত্র ১০ মিনিট স্থায়ী ছিল এই বৃষ্টির ধারা। স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের রেকর্ড ছিল মাত্র ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। তবুও এই সামান্য বৃষ্টির পানিতে অনেককে দেখা গেছে স্বস্তিতে আবেগে গা ভেজাতে। অনেকেই শুকরিয়া আদায় করেন মহান আল্লাহতায়ালার নিকট ।