পদ্মা সেতুতে ৭৫৮ কোটি টাকা টোল আদায়

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩
  • ১৬৫৯ বার পড়া হয়েছে

পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরু হওয়ার পর থেকে গত ৭ জুন পর্যন্ত ৭৫৮ কোটি আট লাখ ৭৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। পরদিন ২৬ জুন থেকে যান চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর-পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এসংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থান করে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। তিনি গত বছরের জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ৭৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার টোল আদায় হয়েছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। এ ছাড়া গত এপ্রিল মাসে ৭১ কোটি ১৩ লাখ টাকার টোল আদায় হয়েছে।

 

জাতীয় পার্টির আরেক সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রথম বিআরটি ব্যবস্থা দ্রুত চালু করার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।গত ৩১ মে পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৮৯.৭৭ শতাংশ। আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যেই বিআরটি সিস্টেমের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু পরিকল্পনা রয়েছে।

 

দেশে ৪৩টি জেলায় রেলপথ আছে

বিকল্পধারার সদস্য আবদুল মান্নানের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে ৪৩টি জেলায় রেলপথ রয়েছে এবং ২১টি জেলায় এখনো রেলপথ স্থাপন করা হয়নি। রেলপথ নেই এমন জেলাগুলো হলো কক্সবাজার, বরিশাল, নড়াইল, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, শেরপুর, মুন্সীগঞ্জ, বরগুনা, পটুয়াখালী, মানিকগঞ্জ, মাগুরা, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বাগেরহাট।উল্লেখিত জেলাসমূহ পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ২০২২-২৩ অর্থবছরের এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে নতুন সাতটি জেলা (কক্সবাজার, নড়াইল, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মাগুরা ও বাগেরহাট) রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।

 

একই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশের আপামর জনসাধারণকে স্বল্প খরচে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবহন সেবা প্রদানের উদ্দেশে বাংলাদেশ রেলওয়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর হতে রেলওয়েকে প্রকৃত গণপরিবহন মাধ্যম হিসেবে ঢেলে সাজাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রেলওয়েকে গড়ে তুলতে গত ১৪ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।তিনি আরো জানান, যে সকল প্রকল্পের সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সে সকল প্রকল্পের আওতায় রেলপথ নির্মিত হলে আটটি জেলা (সাতক্ষীরা, বরিশাল, রাঙামাটি, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর ও মেহেরপুর) রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।মানিকগঞ্জ জেলায় রেলপথ নির্মাণের সমীক্ষা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়া রেলওয়ের বিদ্যমান মাস্টারপ্ল্যান যার মেয়াদ ৩০ বছর (২০১৬-২০৪৫) বাস্তবায়নের পর লক্ষ্মীপুর, শেরপুর, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি―এ চারটি জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পদ্মা সেতুতে ৭৫৮ কোটি টাকা টোল আদায়

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩

পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরু হওয়ার পর থেকে গত ৭ জুন পর্যন্ত ৭৫৮ কোটি আট লাখ ৭৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন। পরদিন ২৬ জুন থেকে যান চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর-পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এসংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থান করে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা। তিনি গত বছরের জুলাই মাসে সর্বোচ্চ ৭৮ কোটি ৫০ লাখ টাকার টোল আদায় হয়েছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী। এ ছাড়া গত এপ্রিল মাসে ৭১ কোটি ১৩ লাখ টাকার টোল আদায় হয়েছে।

 

জাতীয় পার্টির আরেক সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রথম বিআরটি ব্যবস্থা দ্রুত চালু করার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।গত ৩১ মে পর্যন্ত কাজের অগ্রগতি ৮৯.৭৭ শতাংশ। আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যেই বিআরটি সিস্টেমের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু পরিকল্পনা রয়েছে।

 

দেশে ৪৩টি জেলায় রেলপথ আছে

বিকল্পধারার সদস্য আবদুল মান্নানের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে ৪৩টি জেলায় রেলপথ রয়েছে এবং ২১টি জেলায় এখনো রেলপথ স্থাপন করা হয়নি। রেলপথ নেই এমন জেলাগুলো হলো কক্সবাজার, বরিশাল, নড়াইল, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, শেরপুর, মুন্সীগঞ্জ, বরগুনা, পটুয়াখালী, মানিকগঞ্জ, মাগুরা, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বাগেরহাট।উল্লেখিত জেলাসমূহ পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ২০২২-২৩ অর্থবছরের এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পসমূহ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে নতুন সাতটি জেলা (কক্সবাজার, নড়াইল, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মাগুরা ও বাগেরহাট) রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।

 

একই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশের আপামর জনসাধারণকে স্বল্প খরচে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবহন সেবা প্রদানের উদ্দেশে বাংলাদেশ রেলওয়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর হতে রেলওয়েকে প্রকৃত গণপরিবহন মাধ্যম হিসেবে ঢেলে সাজাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রেলওয়েকে গড়ে তুলতে গত ১৪ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।তিনি আরো জানান, যে সকল প্রকল্পের সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে সে সকল প্রকল্পের আওতায় রেলপথ নির্মিত হলে আটটি জেলা (সাতক্ষীরা, বরিশাল, রাঙামাটি, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর ও মেহেরপুর) রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।মানিকগঞ্জ জেলায় রেলপথ নির্মাণের সমীক্ষা কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ছাড়া রেলওয়ের বিদ্যমান মাস্টারপ্ল্যান যার মেয়াদ ৩০ বছর (২০১৬-২০৪৫) বাস্তবায়নের পর লক্ষ্মীপুর, শেরপুর, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি―এ চারটি জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।