মেরুল বাড্ডায় আট তলা থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩
  • ১৬৬৩ বার পড়া হয়েছে

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় একটি ভবনের আট তলা থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিলে বুধবার সকাল ছয়টার দিকে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

মাহমুদা হক বৃষ্টি (৩৩) ও সানজা মারওয়া (১০) এর বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টুঙ্গিবাড়ী উপজেলার চাষিরা গ্রামে। বর্তমানে পশ্চিম মেরুল বাড্ডা জামশেদ টাওয়ারের অষ্টম তলায় থাকতেন তারা। অভিযুক্ত বৃষ্টির স্বামী এস এম সেলিম (৪০) কোন পেশায় নিয়োজিত নেই।

ফ্ল্যাটের ভাড়ার টাকায় সংসার চলত তাদের। বৃষ্টির মামা রাসেল সিকদার জানান, গতকাল রাত দেড়টার দিকে সেলিম ফোন করে বৃষ্টির অসুস্থতার কথা জানালে মেরুল বাড্ডায় বৃষ্টির বাসায় গিয়ে তাকে ও তার মেয়ে সানজাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

বৃষ্টির আট মাস বয়সী শিশুটি তখন তাদের পাশেই খাটে শোয়া ছিল। পরে তিনি ও সেলিম মিলে বৃষ্টি ও সানজাকে অচেতন অবস্থায় ফরাজী হাসপাতালে নিলে পুলিশ সেখানে এসে নিহত বৃষ্টির স্বামী সেলিমকে আটক করে ।

সেলিমের মতে মা-মেয়ে বিষ খেয়ে আত্মাহুতি দিয়েছে। বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাদেক তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ধারণা করেন তাদের দু’জনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেরুল বাড্ডায় আট তলা থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:২৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় একটি ভবনের আট তলা থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিলে বুধবার সকাল ছয়টার দিকে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

মাহমুদা হক বৃষ্টি (৩৩) ও সানজা মারওয়া (১০) এর বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টুঙ্গিবাড়ী উপজেলার চাষিরা গ্রামে। বর্তমানে পশ্চিম মেরুল বাড্ডা জামশেদ টাওয়ারের অষ্টম তলায় থাকতেন তারা। অভিযুক্ত বৃষ্টির স্বামী এস এম সেলিম (৪০) কোন পেশায় নিয়োজিত নেই।

ফ্ল্যাটের ভাড়ার টাকায় সংসার চলত তাদের। বৃষ্টির মামা রাসেল সিকদার জানান, গতকাল রাত দেড়টার দিকে সেলিম ফোন করে বৃষ্টির অসুস্থতার কথা জানালে মেরুল বাড্ডায় বৃষ্টির বাসায় গিয়ে তাকে ও তার মেয়ে সানজাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

বৃষ্টির আট মাস বয়সী শিশুটি তখন তাদের পাশেই খাটে শোয়া ছিল। পরে তিনি ও সেলিম মিলে বৃষ্টি ও সানজাকে অচেতন অবস্থায় ফরাজী হাসপাতালে নিলে পুলিশ সেখানে এসে নিহত বৃষ্টির স্বামী সেলিমকে আটক করে ।

সেলিমের মতে মা-মেয়ে বিষ খেয়ে আত্মাহুতি দিয়েছে। বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাদেক তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ধারণা করেন তাদের দু’জনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।