৯৮ বারের মতো পিছিয়েছে সাগর – রুনী হত্যাকান্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩
  • ১৬৭৪ বার পড়া হয়েছে

 

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে অপারগ হওয়ায় ৯৮ বারের মতো পিছিয়ে আগামী ২২ জুন প্রতিবেদন জমার তারিখ পড়েছে। বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন র‍্যাবের অতিরিক্ত সুপারিনটেনডেন্ট খন্দকার শফিকুল আলম।

 

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য গত ৯ এপ্রিল ৯৭ বারের মতো তারিখ চাইলে ২২ মে সময় বেঁধে দেন বিচারক। ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-কমিশনার আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, মামলাটির নথি হাকিমের খাস কামরা থেকে বের হয়নি।

 

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় দুই এর অধিক খুনীর হাতে  খুন হন বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং তার স্ত্রী এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনী,  জীবিত থেকে যায় ৫ বছরের শিশু মেঘ। ঘটনাস্থল থেকে বঁটি, পরিধেয় কাপড়সহ বেশ কিছু বস্তু পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবেও পাঠিয়েছিল র‍্যাব, এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হিসেবে এ পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে,তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত সাহারা খাতুন সুরাহার ভরসা দিলেও এতদিনেও এ হত্যারহস্য কেন উদঘাটন হয়নি তা এক রহস্য। এ মামলার ভবিষ্যৎ কি তা নিয়ে রয়েছে বোদ্ধা মহলের প্রশ্ন।

 

উল্লেখ্য র‍্যাবের আওতায় থাকা আলোচিত ২০১৩ সালে নারায়ণগঞ্জের মেধাবী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যাকাণ্ডের এক দশকেও বিচার শুরু হয়নি। এমনকি মামলাটির অভিযোগপত্রও দাখিল করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব। পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগের দিন ৬ মার্চ বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হবার দুইদিন পর ৮ মার্চ সকালে শহরের পাঁচ নম্বর ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা খাল (কুমুদিনী খাল) থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

 

অত্যন্ত মেধাবী এই তরুণ এ লেভেল পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞানে (২৯৭/৩০০) সারাবিশ্বে সর্বোচ্চ এবং রসায়নে (২৯৪/৩০০) বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পান। তবে এই ফলাফল দেখার সৌভাগ্য তার হয়নি। ত্বকীর পরিবার ও সুধীমহলের অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী একটি পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে তদন্ত শেষ হওয়ার পরও অভিযোগপত্র না দিয়ে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৯৮ বারের মতো পিছিয়েছে সাগর – রুনী হত্যাকান্ডের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩

 

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনী হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে অপারগ হওয়ায় ৯৮ বারের মতো পিছিয়ে আগামী ২২ জুন প্রতিবেদন জমার তারিখ পড়েছে। বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন র‍্যাবের অতিরিক্ত সুপারিনটেনডেন্ট খন্দকার শফিকুল আলম।

 

তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য গত ৯ এপ্রিল ৯৭ বারের মতো তারিখ চাইলে ২২ মে সময় বেঁধে দেন বিচারক। ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-কমিশনার আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, মামলাটির নথি হাকিমের খাস কামরা থেকে বের হয়নি।

 

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় দুই এর অধিক খুনীর হাতে  খুন হন বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং তার স্ত্রী এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনী,  জীবিত থেকে যায় ৫ বছরের শিশু মেঘ। ঘটনাস্থল থেকে বঁটি, পরিধেয় কাপড়সহ বেশ কিছু বস্তু পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবেও পাঠিয়েছিল র‍্যাব, এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হিসেবে এ পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে,তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত সাহারা খাতুন সুরাহার ভরসা দিলেও এতদিনেও এ হত্যারহস্য কেন উদঘাটন হয়নি তা এক রহস্য। এ মামলার ভবিষ্যৎ কি তা নিয়ে রয়েছে বোদ্ধা মহলের প্রশ্ন।

 

উল্লেখ্য র‍্যাবের আওতায় থাকা আলোচিত ২০১৩ সালে নারায়ণগঞ্জের মেধাবী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যাকাণ্ডের এক দশকেও বিচার শুরু হয়নি। এমনকি মামলাটির অভিযোগপত্রও দাখিল করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব। পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগের দিন ৬ মার্চ বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হবার দুইদিন পর ৮ মার্চ সকালে শহরের পাঁচ নম্বর ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা খাল (কুমুদিনী খাল) থেকে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

 

অত্যন্ত মেধাবী এই তরুণ এ লেভেল পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞানে (২৯৭/৩০০) সারাবিশ্বে সর্বোচ্চ এবং রসায়নে (২৯৪/৩০০) বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পান। তবে এই ফলাফল দেখার সৌভাগ্য তার হয়নি। ত্বকীর পরিবার ও সুধীমহলের অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী একটি পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে তদন্ত শেষ হওয়ার পরও অভিযোগপত্র না দিয়ে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে।