বগুড়ায় কাঁচা মরিচ বিক্রেতাদের জরিমানা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৬০ বার পড়া হয়েছে

জেলায় অনিয়ম ও অধিক মুনাফার অপরাধে দুই কাঁচা মরিচের বিক্রেতা এবং মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করায় এক মসলা দোকানীকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার  বেলা ১ টায় শহরের ১ নম্বর রেলগেট ও রাজাবাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের বগুড়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী।
তিনি জানান, ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করায় এবং অধিক মুনাফা গ্রহণের অপরাধে শহরের রাজাবাজারের একজন ও ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় একজন কাঁচা মরিচের দোকানীকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করায় রাজাবাজারে দুই মসলা দোকানীকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী বলেন, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল কাঁচা মরিচের বাজার যাচাই ও বাড়তি দাম নিয়ন্ত্রণ করা। অভিযানে কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। কিছু অসাধু দোকানী আড়ৎ থেকে কাঁচা মরিচ কিনে এনে বাড়তি দরে বিক্রি করছিলেন। তারা ক্রয় ভাউচার দেখাতে পারেননি। একইভাবে মূল্য তালিকা ছাড়া দুই মসলা দোকানী ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন।
অভিযানে জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করেন।

তথ্যসূত্র :  বাসস

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় কাঁচা মরিচ বিক্রেতাদের জরিমানা

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩

জেলায় অনিয়ম ও অধিক মুনাফার অপরাধে দুই কাঁচা মরিচের বিক্রেতা এবং মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করায় এক মসলা দোকানীকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার  বেলা ১ টায় শহরের ১ নম্বর রেলগেট ও রাজাবাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের বগুড়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী।
তিনি জানান, ক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করায় এবং অধিক মুনাফা গ্রহণের অপরাধে শহরের রাজাবাজারের একজন ও ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় একজন কাঁচা মরিচের দোকানীকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও মূল্য তালিকা সংরক্ষণ না করায় রাজাবাজারে দুই মসলা দোকানীকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী বলেন, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল কাঁচা মরিচের বাজার যাচাই ও বাড়তি দাম নিয়ন্ত্রণ করা। অভিযানে কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। কিছু অসাধু দোকানী আড়ৎ থেকে কাঁচা মরিচ কিনে এনে বাড়তি দরে বিক্রি করছিলেন। তারা ক্রয় ভাউচার দেখাতে পারেননি। একইভাবে মূল্য তালিকা ছাড়া দুই মসলা দোকানী ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন।
অভিযানে জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করেন।

তথ্যসূত্র :  বাসস