গত ১৫ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৯৯

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৫৫ বার পড়া হয়েছে

শনিবার (৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি তাদের এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ২২ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনের তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি সংগঠনটির মহাসচিব মো: মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান তাদের সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল পর্যবেক্ষণ করেছে যে এবার ২০২৩ সালের কোরবানির ঈদের ছুটিতে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৭৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯৯ জন নিহত হয়েছেন ও আহত হয়েছেন আরো ৫৪৪ জন। যদিও গত ২০২২ সালের চেয়ে এবারে সেটা কমে এসেছে।

প্রতিবেদন মোতাবেক, বিগত ১৫ দিনে ২৭৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯৯ জন নিহত এবং ৫৪৪ জন আহত হয়েছেন। ২০২২ সালের ঈদুল আজহায় যাতায়াতের সাথে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ১৫ দশমিক ১৬ শতাংশ, প্রাণহানি ৩৩ দশমিক ১১ শতাংশ, আহত ৪২ দশমিক ২৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়া এই সময়ে রেলপথে ২৫টি দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। নৌ-পথে ১০টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, আহত ১৫ জন ও ৬ জন নিখোঁজ হয়েছেন।

পশুবাহী যানবাহনের ব্যাপক চলাচল ও ট্রাফিক নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যানের বেপরোয়া চলাচলের কারণে এবারের ঈদে দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে ট্রাক-পিকআপ-কভার্ডভ্যান।

মহাসচিব বলেন, এবারের ঈদে ৮৮টি ট্রাক-পিকআপ-কভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৯৩ জন নিহত এবং ১৯৩ জন আহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। পাশাপাশি ৯১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৯৪ জন নিহত ও ৭৭ জন আহত হয়েছেন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩২.৮৫ শতাংশ।

এবারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮২ জন চালক, ৯ জন পরিবহন শ্রমিক, ৩৫ জন পথচারী, ৪৭ জন নারী, ২৫ জন শিশু, ১৭ জন শিক্ষার্থী, ৫ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য (১ পুলিশ, ১ নৌ বাহিনী, ১ র‌্যাব, ১ বিজিবি, ১ সেনাবাহিনী), ৪ জন শিক্ষক, ৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিহত হন।

সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল এর বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ- কাভার্ড ভ্যান-লরি, ১৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক-ভ্যান-সাইকেল, ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাস, ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ কার- মাইক্রো-জিপ, ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ নছিমন-করিমন ট্রাক্টর-লেগুনা মাহিন্দ্রা ও ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ সিএনজি অটোরিকশা এসব দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গত ১৫ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৯৯

আপডেট সময় : ১২:০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩

শনিবার (৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি তাদের এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ২২ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিনের তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি সংগঠনটির মহাসচিব মো: মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান তাদের সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল পর্যবেক্ষণ করেছে যে এবার ২০২৩ সালের কোরবানির ঈদের ছুটিতে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ২৭৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯৯ জন নিহত হয়েছেন ও আহত হয়েছেন আরো ৫৪৪ জন। যদিও গত ২০২২ সালের চেয়ে এবারে সেটা কমে এসেছে।

প্রতিবেদন মোতাবেক, বিগত ১৫ দিনে ২৭৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯৯ জন নিহত এবং ৫৪৪ জন আহত হয়েছেন। ২০২২ সালের ঈদুল আজহায় যাতায়াতের সাথে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ১৫ দশমিক ১৬ শতাংশ, প্রাণহানি ৩৩ দশমিক ১১ শতাংশ, আহত ৪২ দশমিক ২৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়া এই সময়ে রেলপথে ২৫টি দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। নৌ-পথে ১০টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, আহত ১৫ জন ও ৬ জন নিখোঁজ হয়েছেন।

পশুবাহী যানবাহনের ব্যাপক চলাচল ও ট্রাফিক নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যানের বেপরোয়া চলাচলের কারণে এবারের ঈদে দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে ট্রাক-পিকআপ-কভার্ডভ্যান।

মহাসচিব বলেন, এবারের ঈদে ৮৮টি ট্রাক-পিকআপ-কভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৯৩ জন নিহত এবং ১৯৩ জন আহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। পাশাপাশি ৯১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৯৪ জন নিহত ও ৭৭ জন আহত হয়েছেন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩২.৮৫ শতাংশ।

এবারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮২ জন চালক, ৯ জন পরিবহন শ্রমিক, ৩৫ জন পথচারী, ৪৭ জন নারী, ২৫ জন শিশু, ১৭ জন শিক্ষার্থী, ৫ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য (১ পুলিশ, ১ নৌ বাহিনী, ১ র‌্যাব, ১ বিজিবি, ১ সেনাবাহিনী), ৪ জন শিক্ষক, ৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিহত হন।

সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল এর বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ- কাভার্ড ভ্যান-লরি, ১৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক-ভ্যান-সাইকেল, ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ বাস, ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ কার- মাইক্রো-জিপ, ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ নছিমন-করিমন ট্রাক্টর-লেগুনা মাহিন্দ্রা ও ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ সিএনজি অটোরিকশা এসব দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।