৩০০ অভিবাসী নিয়ে নিখোঁজ ৩ নৌকা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩
  • ১৭৪৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি- ইন্টারনেট

স্পেনের কাছাকাছি প্রায় ৩০০ অভিবাসী নিয়ে তিনটি নৌকা নিখোঁজ হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্পেনের উদ্ধারকর্মীরা সেনেগাল থেকে দুই শতাধিক অভিবাসী নিয়ে নিখোঁজ হওয়া একটি নৌকার খোঁজ চালাচ্ছেন। ক্যানারি আইল্যান্ডের কাছাকাছি এলাকা থেকে নৌকাটি এক সপ্তাহের আগে নিখোঁজ হয়।

এ ছাড়াও সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে অনুযায়ী শতাধিক যাত্রী নিয়ে আরও ২টি নৌকা নিখোঁজ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

দাতব্য সংস্থা ওয়াকিং বর্ডারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৭ জুন ক্যানারি দ্বীপের উদ্দেশে রওনা হয় নৌকাগুলো। তারপর থেকেই সেগুলোর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ওয়াকিং বর্ডার জানিয়েছে, ওই ২ নৌকার একটিতে ৬৫ জন এবং অন্যটিতে ৬০ জন ছিল।

অনেক অভিবাসী ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছানোর আশায় আফ্রিকা থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পাড়ি জমান। পশ্চিম আফ্রিকা ও আটলান্টিকের এ অভিবাসন রুটটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রুট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে এ রুটে অন্তত ৫৪৩ অভিবাসী মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৩০০ অভিবাসী নিয়ে নিখোঁজ ৩ নৌকা

আপডেট সময় : ০২:৪৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩

স্পেনের কাছাকাছি প্রায় ৩০০ অভিবাসী নিয়ে তিনটি নৌকা নিখোঁজ হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্পেনের উদ্ধারকর্মীরা সেনেগাল থেকে দুই শতাধিক অভিবাসী নিয়ে নিখোঁজ হওয়া একটি নৌকার খোঁজ চালাচ্ছেন। ক্যানারি আইল্যান্ডের কাছাকাছি এলাকা থেকে নৌকাটি এক সপ্তাহের আগে নিখোঁজ হয়।

এ ছাড়াও সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে অনুযায়ী শতাধিক যাত্রী নিয়ে আরও ২টি নৌকা নিখোঁজ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

দাতব্য সংস্থা ওয়াকিং বর্ডারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৭ জুন ক্যানারি দ্বীপের উদ্দেশে রওনা হয় নৌকাগুলো। তারপর থেকেই সেগুলোর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ওয়াকিং বর্ডার জানিয়েছে, ওই ২ নৌকার একটিতে ৬৫ জন এবং অন্যটিতে ৬০ জন ছিল।

অনেক অভিবাসী ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে পৌঁছানোর আশায় আফ্রিকা থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পাড়ি জমান। পশ্চিম আফ্রিকা ও আটলান্টিকের এ অভিবাসন রুটটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রুট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে এ রুটে অন্তত ৫৪৩ অভিবাসী মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন।