কথার জাদুকরের একাদশতম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৬০ বার পড়া হয়েছে

কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদের একাদশতম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন কিংবদন্তি এই কথাসাহিত্যিক। সবাইকে কাঁদিয়ে এক বর্ষায় এই কথা সাহিত্যিকের প্রয়াণ ঘটে।

হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক বলে গণ্য করা হয়।

বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র।

লেখক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ অসংখ্য গান রচনা করেছেন। গানগুলো তিনি তাঁর নাটক ও চলচ্চিত্রে ব্যবহার করেন।

হুমায়ুন আহমেদ তার অসংখ্য বহুমাত্রিক সৃষ্টির জন্য নানা পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯২ সালের শঙ্খনীল কারাগার চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার বিভাগে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯৪ সালে দেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে। একই বছর তিনি  শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার ও শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা বিভাগে তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রের জন্য। শ্রাবণ মেঘের দিন চলচ্চিত্র শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার ও শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে তাঁকে বাচসাস পুরস্কার এনে দেয়।

নুহাশপল্লীতে তাঁর স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা লেখককে স্মরণ করলেন এই দিনে। অনুমতি ছাড়া হুমায়ূন আহমেদের নাটক–সিনেমা  ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন বন্ধের দাবি জানান লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কথার জাদুকরের একাদশতম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০২৩

কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদের একাদশতম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন কিংবদন্তি এই কথাসাহিত্যিক। সবাইকে কাঁদিয়ে এক বর্ষায় এই কথা সাহিত্যিকের প্রয়াণ ঘটে।

হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় লেখক বলে গণ্য করা হয়।

বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। মিসির আলি এবং হিমু তার সৃষ্ট অন্যতম দুটি জনপ্রিয় চরিত্র।

লেখক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ অসংখ্য গান রচনা করেছেন। গানগুলো তিনি তাঁর নাটক ও চলচ্চিত্রে ব্যবহার করেন।

হুমায়ুন আহমেদ তার অসংখ্য বহুমাত্রিক সৃষ্টির জন্য নানা পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯২ সালের শঙ্খনীল কারাগার চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার বিভাগে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯৪ সালে দেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে। একই বছর তিনি  শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার ও শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা বিভাগে তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রের জন্য। শ্রাবণ মেঘের দিন চলচ্চিত্র শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার ও শ্রেষ্ঠ গীতিকার বিভাগে তাঁকে বাচসাস পুরস্কার এনে দেয়।

নুহাশপল্লীতে তাঁর স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা লেখককে স্মরণ করলেন এই দিনে। অনুমতি ছাড়া হুমায়ূন আহমেদের নাটক–সিনেমা  ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন বন্ধের দাবি জানান লেখকের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।