ক্রাইম প্যাট্রোল দেখে প্রেমিককে খুনের পরিকল্পনা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩
  • ১৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

ভারতের উত্তরাখন্ড রাজ্যের হলদোয়ানিতে সম্প্রতি একটি গাড়ির ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

৩২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী অঙ্কিত চৌহানের মৃতদেহ এটি। তাঁর শরীরে বিষাক্ত গোখরা সাপের ছোবলের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক সাপুড়েকে আটক করেছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বের হয়ে আসছে।

পুলিশ বলছে, ওই সাপুড়ে তাঁর গোখরা সাপের ছোবলে অঙ্কিতকে হত্যা করেন। আর তাঁকে এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন অঙ্কিতের প্রেমিকা মাহি আর্য। ওই সাপুড়ে তাঁর জবানবন্দিতে বলেছেন, মাহি দুই মাস ধরে ক্রাইম পেট্রল দেখে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা সাজিয়েছেন। অঙ্কিতকে হত্যা করে মাহি তাঁর কথিত বর্তমান প্রেমিক দ্বীপ কান্ডপালের সঙ্গে পালিয়ে যান।

মাহিকে তাঁর হত্যা পরিকল্পনায় সহযোগিতা করেছেন দ্বীপ কান্ডপাল, মাহির গৃহকর্মী ও গৃহকর্মীর স্বামী। তাঁরা সবাই পলাতক।

দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, তদন্তে দেখা গেছে মাহি তাঁর বাড়ির সিসি ক্যামেরার ডিভিআর নিয়ে পালিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের ২০ দিন আগেই দুটি সিসি ক্যামেরা তিনি বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রাইম প্যাট্রোল দেখে প্রেমিককে খুনের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

ভারতের উত্তরাখন্ড রাজ্যের হলদোয়ানিতে সম্প্রতি একটি গাড়ির ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

৩২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী অঙ্কিত চৌহানের মৃতদেহ এটি। তাঁর শরীরে বিষাক্ত গোখরা সাপের ছোবলের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক সাপুড়েকে আটক করেছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বের হয়ে আসছে।

পুলিশ বলছে, ওই সাপুড়ে তাঁর গোখরা সাপের ছোবলে অঙ্কিতকে হত্যা করেন। আর তাঁকে এ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন অঙ্কিতের প্রেমিকা মাহি আর্য। ওই সাপুড়ে তাঁর জবানবন্দিতে বলেছেন, মাহি দুই মাস ধরে ক্রাইম পেট্রল দেখে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা সাজিয়েছেন। অঙ্কিতকে হত্যা করে মাহি তাঁর কথিত বর্তমান প্রেমিক দ্বীপ কান্ডপালের সঙ্গে পালিয়ে যান।

মাহিকে তাঁর হত্যা পরিকল্পনায় সহযোগিতা করেছেন দ্বীপ কান্ডপাল, মাহির গৃহকর্মী ও গৃহকর্মীর স্বামী। তাঁরা সবাই পলাতক।

দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, তদন্তে দেখা গেছে মাহি তাঁর বাড়ির সিসি ক্যামেরার ডিভিআর নিয়ে পালিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের ২০ দিন আগেই দুটি সিসি ক্যামেরা তিনি বন্ধ করে দিয়েছিলেন।