স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের নাট্যচর্চার ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের পর কলকাতার আদলে দেশে শুরু হয় গ্রুপ থিয়েটার চর্চা। নাট্যকর্মীরা গড়ে তোলেন নতুন সব নাট্যগ্রুপ। তৈরি হয় নতুন নতুন মঞ্চ। বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে মঞ্চ নাটক।
রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব আয়োজন করে নাট্যদলগুলো। দেশের নাট্যান্দোলনে যোগ দেন শত শত তরুণ নাট্যকর্মী। এক সময় নাটক মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে মাঠে-ঘাটে। কিন্তু বর্তমানে ঢাকাসহ সারা দেশে নানা সমস্যায় ভুগছে নাট্যকর্মী ও থিয়েটার দলগুলো। আগের মতো নেই মঞ্চে নতুন নাটক। নেই পর্যাপ্ত মঞ্চ, নতুন নাট্যকর্মী।
নতুন নাট্যকর্মীদের অনেকেই অল্প কিছুদিন মঞ্চে কাজ করে ছুটছেন টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র মিডিয়ায়। এর ফলে নাট্যদল এবং চলমান প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো মুখ থুবড়ে পড়ছে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অভাবে। রাজধানীতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তিনটি ও বেইলী রোডে মহিলা সমিতিতে একটি নাট্যমঞ্চ আছে। কিন্তু আগের মতো দর্শক সমাগম নেই তাতে।
এ নিয়ে নাট্যকর্মীদের মাঝেও রয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া। নাট্যমঞ্চগুলো দর্শকের চাহিদানুযায়ী ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে নির্মাণ করা জরুরি বলে মনে করেন দর্শকরা।
চেয়ারম্যান : মিসেস সাজিয়া আইরিন
সম্পাদক মন্ডলির সদস্যআবু জাফর মনসুর আহম্মেদ
মোঃ লুৎফর রহমান
সম্পাদক ও প্রকাশক : রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসান
©Dynamic Media Action Ltd