ডাকপিয়নের হাতে প্রিয় মানুষের চিঠি দেখলেই মুখে ফুটে উঠত হাসি। কোনো চিঠিতে থাকত ভালোবাসা, কোনো চিঠিতে অভিমান। সাদা, দুপুর রঙ, কখনোবা আবার রঙিন কাগজে লেখা হলো কিছু কথা। সেই শব্দমালায় প্রেম থাকে, প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের গল্প থাকে। কাগজটি ভাঁজ করে ঢোকানো হলো হলুদ কিংবা বাদামি খামে। খামের ওপর লেখা হলো প্রেরক ও প্রাপকের নাম-ঠিকানা। তারপর সেটি যত্ন করে ফেলে দেওয়া হলো ডাকবাক্সে। শুরু হলো অপেক্ষা- চিঠি কবে পৌঁছাবে, কবে আসবে তার উত্তর?
প্রতি বছর ১ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় চিঠি দিবস। কাগজ-কলমে চিঠি লেখার অভ্যাসকে আবারও মানুষের জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই দিবসটির আয়োজন। বিশ্ব চিঠি দিবসে পুরনো ডাকবাক্সের কথা মনে করার পাশাপাশি একটি কাজ করা যায়- কাগজ-কলম হাতে নিয়ে এমন কাউকে চিঠি লেখা, যাকে অনেক দিন কিছু বলা হয়নি। কারণ, সব যোগাযোগ দ্রুত হতে হয় না। কিছু কথা একটু দেরিতে পৌঁছালেই হয়ত তার মূল্য আরও বেড়ে যায়। হয়ত আপনার লেখা কয়েকটি লাইন কারও কাছে হয়ে উঠতে পারে এমন একটি স্মৃতি, যা বহু বছর পরও সে যত্ন করে রেখে দেবে।
চেয়ারম্যান : মিসেস সাজিয়া আইরিন
সম্পাদক মন্ডলির সদস্যআবু জাফর মনসুর আহম্মেদ
মোঃ লুৎফর রহমান
সম্পাদক ও প্রকাশক : রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসান
©Dynamic Media Action Ltd