ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা সাতদিনের বৃষ্টিতে রাঙামাটিতে ২৩৫ স্থানে পাহাড়ধস

রাঙামাটিতে টানা সাত দিনের বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন স্থানে ছোট ও মাঝারি ধরনের পাহাড় ধস হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (০৮ আগস্ট) সকাল থেকে ভারি বর্ষণে জেলার বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি ৩০ হাজার মানুষ। জেলার আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, সোমবার (০৭ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৬৮.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪৬.৮ মিলিমিটার।

আজ সকালে রিজার্ভমুখ এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে একটি ঘরের ওপরে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৭ পরিবারের ৬০ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার ব্যবস্থা করেন। রাঙামাটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘টানা বর্ষণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি এবং রাঙামাটি বান্দরবান সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টের ৪৪টি স্থানে পাহাড় থেকে মাটি ধসে পড়ে। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাটি সরিয়ে ফেলেছি। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’ রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ২৩৫ স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩৮১ বসতঘর ধসে গেছে। যার মধ্যে ১০টি আশ্রয় প্রকল্পের ঘর রয়েছে। এছাড়া জেলায় মোট ২৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে সাড়ে তিন হাজার মানুষ অবস্থান করছে। পাহাড় ধসে প্রাণহানি না হলেও আহত হয়েছেন ১০ জন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টানা সাতদিনের বৃষ্টিতে রাঙামাটিতে ২৩৫ স্থানে পাহাড়ধস

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অগাস্ট ২০২৩

রাঙামাটিতে টানা সাত দিনের বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন স্থানে ছোট ও মাঝারি ধরনের পাহাড় ধস হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (০৮ আগস্ট) সকাল থেকে ভারি বর্ষণে জেলার বাঘাইছড়ি, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও বরকল উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি ৩০ হাজার মানুষ। জেলার আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে, সোমবার (০৭ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৬৮.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪৬.৮ মিলিমিটার।

আজ সকালে রিজার্ভমুখ এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে একটি ঘরের ওপরে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৭ পরিবারের ৬০ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার ব্যবস্থা করেন। রাঙামাটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, ‘টানা বর্ষণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি এবং রাঙামাটি বান্দরবান সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টের ৪৪টি স্থানে পাহাড় থেকে মাটি ধসে পড়ে। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাটি সরিয়ে ফেলেছি। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’ রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ২৩৫ স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩৮১ বসতঘর ধসে গেছে। যার মধ্যে ১০টি আশ্রয় প্রকল্পের ঘর রয়েছে। এছাড়া জেলায় মোট ২৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে সাড়ে তিন হাজার মানুষ অবস্থান করছে। পাহাড় ধসে প্রাণহানি না হলেও আহত হয়েছেন ১০ জন।