
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং নারায়ণগঞ্জ ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড স্মার্ট কার্ডে রূপান্তরের পাইলটিং কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হাতে লেখা সকল কার্ড কিউআর কোড সম্বলিত স্মার্ট কার্ডে রূপান্তরিত করা হবে। স্মার্ট কার্ড হয়ে গেলে সকল ধরনের অসঙ্গতি দূর হবে এবং কার্ডধারীর নিকট পণ্য সরবরাহ সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
টিপু মুনশি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী নিত্যপণ্য বিশেষ করে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। তবে এই পরিস্থিতিতে স্বল্প আয়ের মানুষকে সহযোগিতার লক্ষ্যে টিসিবি ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য সরবরাহ করছে।
তিনি জানান, প্রতি মাসে ১ কোটি পরিবারকে একবার করে নিত্যপণ্য সরবরাহ করা হলেও রমজানে দুই ধাপে পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে। দ্বিতীয় ধাপে আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত টিসিবির পণ্য বিক্রি চলবে।
উল্লেখ্য, ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার ১১০ টাকা দামে ২ লিটার সয়াবিন তেল, ৫৫ টাকা দামে ২ কেজি চিনি, ৬৫ টাকা দামে ২ কেজি মসুর ডাল ও ৫০ টাকা দামে ২ কেজি ছোলা পাবেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রমজানে সব ধরনের নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। কোন পণ্যের সংকট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তিনি আরও বলেন, সব পণ্যের মূল্য পরিস্থিতি দেখভালের দায়িত্ব কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নয়। যেমন পোল্ট্রি মুরগি, মাংস,মাছ, ডিমসহ আরও অনেক পণ্য রয়েছে যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। এরপরও আমরা সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় বা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এমনভাবে কাজ করছি, যাতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, টিসিবির সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে টিসিবির পণ্য সংরক্ষাণাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি আজ উত্তরায় টিসিবির একটি সংরক্ষাণাগারের উদ্বোধন করেন। এসময় তিনি বলেন, এই সংরক্ষাণাগারের মাধ্যমে এই অঞ্চলে পণ্য মজুদ করে কার্ডধারীদের নিকট সহজে পণ্য পৌঁছে দেওয়া যাবে।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো.আফসার উদ্দিন খান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।