‘বদনাম’ দূর করতে সহযোগিতা চাইলেন প্রতিমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩
  • ১৬৯৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে নানা অসঙ্গতি দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।

তিনি বলেছেন, “আমাদের বদনাম- আমাদের স্কুলে বাচ্চা যায় না, স্কুল ভালো চলে না, শিক্ষকরা নিয়মিত যায় না। এগুলো আমরা ত্যাগ করব। আমি জানি, আপনারা পারবেন এই বদনাম দূর করতে।”

রোববার ঢাকা পিটিআই মিলনায়তনে শিশুদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলছিলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আমি মাঝে মাঝে খুব হতাশ হই। যখন আমার স্কুলে ছেলে মেয়েরা না এসে কেজি স্কুলে যায়, ব্র্যাক স্কুলে যায়। এসব নানা ধরনের স্কুলে আমাদের বাচ্চাকাচ্চারা যায়, আমি তখন হতাশ হই।

“সরকারের এত অর্থ যে আমরা নিই- তা বোধ হয় সঠিক ব্যয় হচ্ছে না, আমরা বোধ হয় ডিউটিটা ঠিক করছি না। এটা আমাকে ব্যথা দেয়৷”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দেশ স্বাধীনের পর বাজেটে টাকা ছিল না, কিন্তু তখন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষায় জোর দিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা প্রাথমিকের দিকে তাকায়নি। জাতির পিতা তাকিয়েছিলেন, তার অসমাপ্ত কাজগুলো এখন তার মেয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী করছেন।

“করোনার মধ্যে আমরা ঘরে বসে অনলাইনে, জুম মিটিংয়ে শিক্ষা দিতে পেরেছি। এটা প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছেন বলেই সম্ভব হয়েছে। এখন আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করতে হবে।”

প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমার অনুরোধ, আমাদের প্রাথমিক শিক্ষায় যারা আছি, শপথ নিই- প্রাথমিক স্কুলে বাংলাদেশের সব মানুষ আসবে। আমরা আমাদের কাজ করব, অলসতা ত্যাগ করব, প্রকৃত শিক্ষকের মতো কাজ করব।

“আমাদের প্রাইমারিতে সব আছে, এত প্রতিভা- তাহলে কেন হবে না? স্মার্ট বাংলাদেশ আপনাদের হাতে, প্রাথমিকের কর্মকর্তাদের হাতে। আমরা আসুন, শপথ নিই প্রাথমিক হবে মানসম্মত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।”

অনুষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক ১২ প্রতিযোগিতায় ছেলে ও মেয়ে আলাদা দুই শাখায় দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রতিযোগিতা করে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া মোট ৭২ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মনীষ চাকমা।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বদনাম’ দূর করতে সহযোগিতা চাইলেন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে নানা অসঙ্গতি দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।

তিনি বলেছেন, “আমাদের বদনাম- আমাদের স্কুলে বাচ্চা যায় না, স্কুল ভালো চলে না, শিক্ষকরা নিয়মিত যায় না। এগুলো আমরা ত্যাগ করব। আমি জানি, আপনারা পারবেন এই বদনাম দূর করতে।”

রোববার ঢাকা পিটিআই মিলনায়তনে শিশুদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলছিলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আমি মাঝে মাঝে খুব হতাশ হই। যখন আমার স্কুলে ছেলে মেয়েরা না এসে কেজি স্কুলে যায়, ব্র্যাক স্কুলে যায়। এসব নানা ধরনের স্কুলে আমাদের বাচ্চাকাচ্চারা যায়, আমি তখন হতাশ হই।

“সরকারের এত অর্থ যে আমরা নিই- তা বোধ হয় সঠিক ব্যয় হচ্ছে না, আমরা বোধ হয় ডিউটিটা ঠিক করছি না। এটা আমাকে ব্যথা দেয়৷”

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দেশ স্বাধীনের পর বাজেটে টাকা ছিল না, কিন্তু তখন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষায় জোর দিয়েছিলেন। স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা প্রাথমিকের দিকে তাকায়নি। জাতির পিতা তাকিয়েছিলেন, তার অসমাপ্ত কাজগুলো এখন তার মেয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী করছেন।

“করোনার মধ্যে আমরা ঘরে বসে অনলাইনে, জুম মিটিংয়ে শিক্ষা দিতে পেরেছি। এটা প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছেন বলেই সম্ভব হয়েছে। এখন আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করতে হবে।”

প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমার অনুরোধ, আমাদের প্রাথমিক শিক্ষায় যারা আছি, শপথ নিই- প্রাথমিক স্কুলে বাংলাদেশের সব মানুষ আসবে। আমরা আমাদের কাজ করব, অলসতা ত্যাগ করব, প্রকৃত শিক্ষকের মতো কাজ করব।

“আমাদের প্রাইমারিতে সব আছে, এত প্রতিভা- তাহলে কেন হবে না? স্মার্ট বাংলাদেশ আপনাদের হাতে, প্রাথমিকের কর্মকর্তাদের হাতে। আমরা আসুন, শপথ নিই প্রাথমিক হবে মানসম্মত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।”

অনুষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক ১২ প্রতিযোগিতায় ছেলে ও মেয়ে আলাদা দুই শাখায় দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রতিযোগিতা করে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া মোট ৭২ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশন) মনীষ চাকমা।