বগুড়ায় বিদ্যুৎ কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসুচিতে পুলিশি বাধা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩
  • ১৬৯৯ বার পড়া হয়েছে

পুলিশি বাধায় বগুড়ায় বিদ্যুৎ কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসুচি করতে পারেনি বিএনপি।প্রতিবাদে বিএনপি  কর্মীরা শহীদ খোকন পার্ক সড়কে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। পরে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিদ্যুৎ কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেন।

‘দেশব্যাপী অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক দুর্নীতির’ প্রতিবাদে আজ জেলায় জেলায়  বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ছিল বিএনপি।

আজ বেলা ১১টায় নেতা–কর্মীরা শহরের নওয়াববাড়ি সড়কের দলীয় কার্যালয় থেকে সাতমাথায় হোটেলপট্রি সড়কে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নর্দার্ন ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) লিমিটেডের কার্যালয় অভিমুখে রওনা দেন। এ সময় সদর ফাঁড়ির সামনে প্রথম দফায় বিএনপির নেতা–কর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সদর থানা ও সদর ফাঁড়ির সদস্যরা। তবে পুলিশি বাধা অতিক্রম করে বিএনপি নেতা–কর্মীরা সাতমাথা হয়ে বিদ্যুৎ কার্যালয় অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে শহরের শহীদ খোকন পার্ক ও শিশু উদ্যানের ফটকের পাশে ফুল মার্কেটের গলির মুখে পুলিশ সদস্যরা ‘মানবপ্রাচীর’ তৈরি করেন। এ সময় বিএনপির নেতা–কর্মীরা ‘ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হবে, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও হবে’, ‘নিশিরাতের সরকার, আর নেই দরকার’সহ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। বাধা অতিক্রম করে নেতা কর্মীরা বিদ্যুৎ কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে  পুলিশের সাথে তাদের  ধাওয়া পালটা ধাওয়া হয়।

সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার বলেন, “আমেরিকার নতুন ভিসানীতিতে সরকারের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। নিশিরাতের সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপারমাত্র”।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি ফজলুল বারী তালুকদার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য লাভলী রহমান, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল বাশার ও সহিদুন্নবী সালাম, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এম আর ইসলাম প্রমুখ।

তবে বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, রাষ্ট্রীয়  স্পর্শকাতর স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। কোনো রাজনৈতিক দলের ঘেরাও কর্মসূচিতে নাশকতারও শঙ্কা থেকে যায়। এ কারণে বিএনপির প্রতিনিধিদলকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার সঙ্গে কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে স্বারকলিপি প্রদানের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় বিদ্যুৎ কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসুচিতে পুলিশি বাধা

আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

পুলিশি বাধায় বগুড়ায় বিদ্যুৎ কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসুচি করতে পারেনি বিএনপি।প্রতিবাদে বিএনপি  কর্মীরা শহীদ খোকন পার্ক সড়কে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। পরে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিদ্যুৎ কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেন।

‘দেশব্যাপী অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক দুর্নীতির’ প্রতিবাদে আজ জেলায় জেলায়  বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ছিল বিএনপি।

আজ বেলা ১১টায় নেতা–কর্মীরা শহরের নওয়াববাড়ি সড়কের দলীয় কার্যালয় থেকে সাতমাথায় হোটেলপট্রি সড়কে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান নর্দার্ন ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) লিমিটেডের কার্যালয় অভিমুখে রওনা দেন। এ সময় সদর ফাঁড়ির সামনে প্রথম দফায় বিএনপির নেতা–কর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সদর থানা ও সদর ফাঁড়ির সদস্যরা। তবে পুলিশি বাধা অতিক্রম করে বিএনপি নেতা–কর্মীরা সাতমাথা হয়ে বিদ্যুৎ কার্যালয় অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে শহরের শহীদ খোকন পার্ক ও শিশু উদ্যানের ফটকের পাশে ফুল মার্কেটের গলির মুখে পুলিশ সদস্যরা ‘মানবপ্রাচীর’ তৈরি করেন। এ সময় বিএনপির নেতা–কর্মীরা ‘ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হবে, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও হবে’, ‘নিশিরাতের সরকার, আর নেই দরকার’সহ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। বাধা অতিক্রম করে নেতা কর্মীরা বিদ্যুৎ কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে  পুলিশের সাথে তাদের  ধাওয়া পালটা ধাওয়া হয়।

সমাবেশে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার বলেন, “আমেরিকার নতুন ভিসানীতিতে সরকারের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। নিশিরাতের সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপারমাত্র”।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি ফজলুল বারী তালুকদার, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য লাভলী রহমান, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল বাশার ও সহিদুন্নবী সালাম, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এম আর ইসলাম প্রমুখ।

তবে বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে বগুড়ার পুলিশ সুপার (এসপি) সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, রাষ্ট্রীয়  স্পর্শকাতর স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব। কোনো রাজনৈতিক দলের ঘেরাও কর্মসূচিতে নাশকতারও শঙ্কা থেকে যায়। এ কারণে বিএনপির প্রতিনিধিদলকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার সঙ্গে কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে স্বারকলিপি প্রদানের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।