
কোরিয়ান পপ জগতে ২০১৩ সালের ১৩ জুন সাত কোরিয়ান তরুণের স্বপ্নের পথচলা শুরু হয়, সিউল-ভিত্তিক বিটিএস নামের ব্যান্ড দিয়ে।
কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই বিটিএস জনপ্রিয়তায় শীর্ষে উঠে আসে । বিশ্বজুড়ে সমসাময়িক সকল ব্যান্ডের মাঝে বিটিএস ভক্তের সংখ্যা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি।
বিটিএস ভক্তরা বিটিএস আর্মি নামে পরিচিত। ২০১০ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার মিউজিক লেবেল বিগ হিট এন্টারটেইনমেন্টের অধীনে পাঁচবারের গ্র্যামি মনোনীত কে-পপ সুপার ব্যান্ডটি বাংতান সোনিওন্ডন বা বুলেটপ্রুফ বয় স্কাউটস নামে গঠিত হয়েছিল।
তারপর তিন বছর কে-পপের নিরলস কঠিন প্রশিক্ষণ নেন তারা। সফল প্রশিক্ষণ শেষে জিন, সুগা, জে-হোপ, আরএম, জিমিন, ভি এবং জাংকুকরা ইপি, টু কুল ফোর স্কুল দিয়ে প্রথম আত্মপ্রকাশ। সেখানে তাদের প্রথম একক ‘নো মোর ড্রিম’ ছিল।
বিটিএস বিশ্বব্যাপী এতটাই জনপ্রিয় ও প্রশংসিত যে, ২০১৭ সালে ইউনিসেফের সঙ্গে ‘লাভ মাইসেলফ’ নামের একটি বৈশ্বিক প্রচারে আমন্ত্রিত ছিল তারা।
২০২১ সালে বিটিএস ব্যান্ডের সদস্যরা তৃতীয়বারের মতো জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিল।
২০২২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে হোয়াইট হাউসে এশিয়াবিরোধী বিদ্বেষমূলক অপরাধ বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে সভা করেছিলেন ব্যান্ডটির সদস্যরা। প্র
তি বছর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কে-পপ ব্যান্ডটি তাদের ভক্তদের সঙ্গে মাসজুড়ে বিটিএস ফিয়েস্তা করে, আর এবার সেটির নাম দেয়া হয়েছে আপোবাংপো-১০। গত ৮ জুন ব্যান্ডটি এই মাসব্যাপী অনলাইন ইভেন্টের বেশ কয়েকটি ছবি ও পর্দার পিছনের ভিডিও উন্মোচন করেছে। ৯ জুন ‘টেক টু’ শিরোনামে একটি ডিজিটাল একক প্রকাশ করেছে।
আগামী ৯ জুলাই ‘বিয়ন্ড দ্য স্টোরি: টেন ইয়ার রেকর্ড অব বিটিএস’ শিরোনামে ৫৪৪ পৃষ্ঠার একটি স্মৃতিকথা প্রকাশ হবে বলেও জানা গেছে।