কার্জন হলের গাছ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩
  • ১৬৯৮ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের পাশে একটি গাছ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জুন) ভোররাত ৪টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রাশেদ বলেন শুক্রবার (২৩ জুন) ভোররাত ৪টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের পাশের একটি গাছ থেকে ৩৫ বছর বয়সী রুবেল নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। রুবেলের মামাতো ভাই মো. সজীব জানান, রুবেল আনন্দবাজার এলাকায় থাকেন। পারিবারিক জীবনে রুবেল বিবাহিত হলেও তার স্ত্রীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না বরং তিনি ভবঘুরে ছিলেন। তার বাবা-মায়ের মৃত্যুর

পর একাকীত্বে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

এক সময় নেশার জগতে চলে যায়। আত্মীয়-স্বজন তার কোনো খোঁজখবর নিত না, সামাজিক ও মানসিক ভাবে অনেক একা হয়ে পড়ায় সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কার্জন হলের গাছ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:৪০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জুন ২০২৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের পাশে একটি গাছ থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ জুন) ভোররাত ৪টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রাশেদ বলেন শুক্রবার (২৩ জুন) ভোররাত ৪টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের পাশের একটি গাছ থেকে ৩৫ বছর বয়সী রুবেল নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। রুবেলের মামাতো ভাই মো. সজীব জানান, রুবেল আনন্দবাজার এলাকায় থাকেন। পারিবারিক জীবনে রুবেল বিবাহিত হলেও তার স্ত্রীর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না বরং তিনি ভবঘুরে ছিলেন। তার বাবা-মায়ের মৃত্যুর

পর একাকীত্বে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

এক সময় নেশার জগতে চলে যায়। আত্মীয়-স্বজন তার কোনো খোঁজখবর নিত না, সামাজিক ও মানসিক ভাবে অনেক একা হয়ে পড়ায় সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশের ধারণা।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।