ইন্টারনেট শাট-ডাউনের মাধ্যমে ডিজিটাল নির্যাতন শুরু করেছে সরকার- মির্জা ফখরুল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৮৩ বার পড়া হয়েছে

রোববার (২৩ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির সমাবেশে ইন্টারনেট-শাটডাউনসহ সকল ধরনের ডিজিটাল-নির্যাতনের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সমাবেশে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অবৈধ সরকার স্মার্ট বাংলাদেশের নামে প্রতারণা করছেন। সকল রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করে নাগরিকদের সাইবার জগতের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে সরকার। প্রায় ৫ কোটি নাগরিকের ব্যক্তিগত স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে। এটি সরকারেরই অযোগ্যতা এবং চরম অদক্ষতা।

মির্জা ফখরুল সভায় আরও বলেন, সরকার বুঝতে পেরেছে তাদের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে। তাই বিএনপির সমাবেশে হামলা মামলা চালাচ্ছে এবং পাশাপাশি ইন্টারনেট শাট ডাউনের মাধ্যমে ডিজিটাল নির্যাতন শুরু করেছে। সরকার বিএনপি নেতা কর্মীদের ওপর যত নির্যাতন নিপীড়ন করবে , প্রতিবাদের গতি ততই তীব্র হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার পতনের চলমান একদফা আন্দোলনের সম্পূরক হিসাবে আমরা এই ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক ইন্টারনেট-শাটডাউন, নজরদারি, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন, মোবাইল ফোন তল্লাশিসহ সব ধরনের ডিজিটাল-নির্যাতনের অপব্যবহারের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপি ডিজিটাল সেবাকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনকে গণবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি আইনটি অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান। তিনি বলেন, সকল ডিজিটাল নির্যাতনের প্রতিবাদে দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্রের সকল ধরনের ডিজিটাল ক্ষমতাকে নাগরিক অধিকার-বান্ধব করে তুলতে হবে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্টারনেট শাট-ডাউনের মাধ্যমে ডিজিটাল নির্যাতন শুরু করেছে সরকার- মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩

রোববার (২৩ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির সমাবেশে ইন্টারনেট-শাটডাউনসহ সকল ধরনের ডিজিটাল-নির্যাতনের প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সমাবেশে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অবৈধ সরকার স্মার্ট বাংলাদেশের নামে প্রতারণা করছেন। সকল রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করে নাগরিকদের সাইবার জগতের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে সরকার। প্রায় ৫ কোটি নাগরিকের ব্যক্তিগত স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে। এটি সরকারেরই অযোগ্যতা এবং চরম অদক্ষতা।

মির্জা ফখরুল সভায় আরও বলেন, সরকার বুঝতে পেরেছে তাদের আয়ু ফুরিয়ে এসেছে। তাই বিএনপির সমাবেশে হামলা মামলা চালাচ্ছে এবং পাশাপাশি ইন্টারনেট শাট ডাউনের মাধ্যমে ডিজিটাল নির্যাতন শুরু করেছে। সরকার বিএনপি নেতা কর্মীদের ওপর যত নির্যাতন নিপীড়ন করবে , প্রতিবাদের গতি ততই তীব্র হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার পতনের চলমান একদফা আন্দোলনের সম্পূরক হিসাবে আমরা এই ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক ইন্টারনেট-শাটডাউন, নজরদারি, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন, মোবাইল ফোন তল্লাশিসহ সব ধরনের ডিজিটাল-নির্যাতনের অপব্যবহারের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপি ডিজিটাল সেবাকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনকে গণবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি আইনটি অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান। তিনি বলেন, সকল ডিজিটাল নির্যাতনের প্রতিবাদে দেশের সব নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্রের সকল ধরনের ডিজিটাল ক্ষমতাকে নাগরিক অধিকার-বান্ধব করে তুলতে হবে।