
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলের সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২০ জুলাই থেকে আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকার কথা ছিলো।
বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বাতিল আদেশ প্রকাশ করা হয়।২০ জুলাই বৃহস্পতিবার হিজরি নববর্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ২৩ জুলাই থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম যথারীতি চালু থাকবে। বাতিল করা গ্রীষ্মকালীন ছুটি আগামী শীতকালীন ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।এদিকে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলের এই আদেশ নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।কিন্তু শিক্ষক-অভিভাবকরা বলছেন, ছুটি শুরুর ঠিক আগের দিন এভাবে ছুটি বাতিল ঘোষণা দেওয়া যুক্তিযুক্ত না।
ছুটি বাতিল করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশে স্বাক্ষর করেন উপসচিব সাইদুর রহমান খান।সরকারি তরফে ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্তের পক্ষে বলা হয়,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা কার্যক্রম যথাসময়ে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে ছুটি বাতিল করা হলো। এতে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠদান ও মূল্যায়নসহ অন্যান্য শ্রেণির পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
আবার অনেকে বলছেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি অনেকটাই মহামারীর আকার ধারণ করেছে। এমন সময়ে যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা প্রয়োজন সেখানে প্রাপ্য ছুটি থেকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে।অন্যদিকে কেউ কেউ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এই ছুটি বাতিল করা সঠিক সিদ্ধান্ত।শিক্ষকমহলের কেউ কেউ জানান,
গ্রীষ্মের ছুটি বাতিল করায় কেবল শিক্ষকরা নন অভিভাবকরাও ক্ষুব্ধ। মূলত এই ছুটি বাতিল করা হয়েছে চলমান মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণ আন্দোলন থেকে শিক্ষকদের সরাতে।তা না হলে, গ্রীষ্মের ছুটি কিভাবে শীতকালে দিতে পারে?