সুইডেনের পর ডেনমার্কে পোড়ানো হলো পবিত্র কোরআন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩
  • ১৭৯৪ বার পড়া হয়েছে
ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ইরাকের দূতাবাসের সামনে সোমবার ২৪ জুলাই ইসলামের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন পুড়িয়েছেন দুই বিক্ষোভকারী। সুইডেনের পর এবার ডেনমার্কে এই ঘটনা ঘটলো।
ইরাক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পবিত্র কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় ডেনমার্ক ও ইরাকের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। সুইডেন ও ডেনমার্ক তাদের বাক স্বাধীনতার অধিকারের সুরক্ষায় করা আইনের অধীনে বিক্ষোভকারীদের কোরআন পোড়ানোর অনুমতি দেয়। ইরান এবং ইরাকসহ মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ কোরআন পোড়ানোর ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভ করেছে।
ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর কর্তৃপক্ষকে বাক স্বাধীনতা এবং বিক্ষোভের অধিকারের সুরক্ষার বিষয়টি অবিলম্বে আরও একবার ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছে। বাক স্বাধীনতার নামে ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রকাশের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে গত ১২ জুলাই একটি রেজ্যুলেশন পাস হয়। সেইসঙ্গে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সরকারকে নিজ নিজ দেশে বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা করে দেখা এবং ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রতিরোধ, বিদ্বেষমূলক কর্মকান্ডের বিচার এবং ধর্মীয় বিদ্বেষ নিয়ে প্রচারে বাধা সৃষ্টি করতে পারে’ তা বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুইডেনের পর ডেনমার্কে পোড়ানো হলো পবিত্র কোরআন

আপডেট সময় : ০৪:০৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই ২০২৩
ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ইরাকের দূতাবাসের সামনে সোমবার ২৪ জুলাই ইসলামের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন পুড়িয়েছেন দুই বিক্ষোভকারী। সুইডেনের পর এবার ডেনমার্কে এই ঘটনা ঘটলো।
ইরাক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পবিত্র কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় ডেনমার্ক ও ইরাকের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। সুইডেন ও ডেনমার্ক তাদের বাক স্বাধীনতার অধিকারের সুরক্ষায় করা আইনের অধীনে বিক্ষোভকারীদের কোরআন পোড়ানোর অনুমতি দেয়। ইরান এবং ইরাকসহ মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ কোরআন পোড়ানোর ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভ করেছে।
ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর কর্তৃপক্ষকে বাক স্বাধীনতা এবং বিক্ষোভের অধিকারের সুরক্ষার বিষয়টি অবিলম্বে আরও একবার ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছে। বাক স্বাধীনতার নামে ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রকাশের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে গত ১২ জুলাই একটি রেজ্যুলেশন পাস হয়। সেইসঙ্গে জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সরকারকে নিজ নিজ দেশে বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা করে দেখা এবং ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ প্রতিরোধ, বিদ্বেষমূলক কর্মকান্ডের বিচার এবং ধর্মীয় বিদ্বেষ নিয়ে প্রচারে বাধা সৃষ্টি করতে পারে’ তা বন্ধ করতে বলা হয়েছে।