তাহের হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৯২ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম। বৃহস্পতিবার রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রাত ১০টা ১ মিনিটে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে এই দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। জল্লাদ আলমগীর হোসেনেরর নেতৃত্বে আটজন জল্লাদ এ ফাঁসি কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে কারাগারে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। কারা ফটকে অতিরিক্ত পুলিশ ও কারারক্ষী মোতায়েন করা ছিল । সন্ধ্যার পর দুই আসামির পরিবারের সদস্যরা কারাগারে উপস্থিত হন। গত মঙ্গলবার দুপুরে আসামি মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দীন ও জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে স্বজনরা শেষ সাক্ষাৎ করেন।

অধ্যাপক তাহের ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাবির শিক্ষকদের আবাসিক কোয়াটারের বাসা থেকে নিখোঁজ হন। ২ ফেব্রুয়ারি বাসাটির পেছনের ম্যানহোল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৩ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ নগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাহের হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর

আপডেট সময় : ০১:৩২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০২৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম। বৃহস্পতিবার রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রাত ১০টা ১ মিনিটে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে এই দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। জল্লাদ আলমগীর হোসেনেরর নেতৃত্বে আটজন জল্লাদ এ ফাঁসি কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে কারাগারে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। কারা ফটকে অতিরিক্ত পুলিশ ও কারারক্ষী মোতায়েন করা ছিল । সন্ধ্যার পর দুই আসামির পরিবারের সদস্যরা কারাগারে উপস্থিত হন। গত মঙ্গলবার দুপুরে আসামি মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দীন ও জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে স্বজনরা শেষ সাক্ষাৎ করেন।

অধ্যাপক তাহের ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাবির শিক্ষকদের আবাসিক কোয়াটারের বাসা থেকে নিখোঁজ হন। ২ ফেব্রুয়ারি বাসাটির পেছনের ম্যানহোল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৩ ফেব্রুয়ারি অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ নগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।