ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তাইওয়ানকে সাড়ে ৩৪ কোটি ডলার সহায়তা দিবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৫০ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের সামরিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

শুক্রবার (২৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস এ কথা জানায়। যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তার মধ্যে প্রতিরক্ষা বিষয়ক আর্টিকেল এবং সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সহায়তা রয়েছে। এই সহায়তার মধ্যে কোনো অস্ত্র দেয়া হবে কি না সে ব্যাপারে হোয়াইট হাউস থেকে কোনো তথ্য জানানো হয় নি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সামরিক সহায়তা প্যাকেজের মধ্যে পোর্টেবল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ছোটছোট গোলাবারুদ ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপাদান রয়েছে।

হোয়াইট হাউসের দেয়া বিবৃতি অনুযায়ী, তাইওয়ানকে সহযোগিতার অংশ হিসেবে মূলত সামরিক প্রশিক্ষণ বাবদ ৩৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার খরচ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মিত্র। তাইওয়ানের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় অংশই আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাইওয়ানকে সাড়ে ৩৪ কোটি ডলার সহায়তা দিবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৩:২১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের সামরিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

শুক্রবার (২৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস এ কথা জানায়। যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তার মধ্যে প্রতিরক্ষা বিষয়ক আর্টিকেল এবং সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সহায়তা রয়েছে। এই সহায়তার মধ্যে কোনো অস্ত্র দেয়া হবে কি না সে ব্যাপারে হোয়াইট হাউস থেকে কোনো তথ্য জানানো হয় নি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সামরিক সহায়তা প্যাকেজের মধ্যে পোর্টেবল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ছোটছোট গোলাবারুদ ও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপাদান রয়েছে।

হোয়াইট হাউসের দেয়া বিবৃতি অনুযায়ী, তাইওয়ানকে সহযোগিতার অংশ হিসেবে মূলত সামরিক প্রশিক্ষণ বাবদ ৩৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার খরচ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মিত্র। তাইওয়ানের অস্ত্রের সবচেয়ে বড় অংশই আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।