পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে গ্রেপ্তার আমানউল্লাহ

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৮২ বার পড়া হয়েছে

আজ ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। গাবতলীতে এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান। বিএনপির এই অবস্থান কর্মসূচি থেকে আমানউল্লাহ আমানকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার ২৯ জুলাই দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আমানউল্লাহকে পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়। আজ বেলা ১১টার দিকে খালেক পরিবহনের বাস কাউন্টারের সামনে আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা–কর্মীরা সড়কের একপাশে অবস্থান নেন। কাছাকাছি দূরত্বেই অবস্থান নেন আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরাও। আওয়ামী লীগের কর্মীরা বিএনপির অন্তত পাঁচজন নেতা–কর্মীকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এই বিষয়ে আমানউল্লাহ আমান পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে গেলে পুলিশের এডিসি নাজমুল ফিরোজ তাঁকে বলেন, ‘আপনাদের এখানে অবস্থানের অনুমতি নেই। পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হলো, আপনারা চলে যান।’ তার প্রতিউত্তরে আমানউল্লাহ বলেন, ‘আমি কোথাও যাচ্ছি না।’ পুলিশ সদস্যরা দুবার তাঁকে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন। এরপর পুলিশ ধাক্কা দিয়ে আমানউল্লাহ আমানসহ বিএনপির নেতা–কর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে মাজার রোডের নাবিল পরিবহনের সামনের সড়কে আমানউল্লাহ আমান শুয়ে পড়েন। পুলিশ তাঁকে সরানোর চেষ্টা করলেও তিনি তার অবস্থানে অনড় থাকেন।

এরপর সেখান থেকে আমানউল্লাহকে একটি পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে গ্রেপ্তার আমানউল্লাহ

আপডেট সময় : ০২:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩

আজ ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। গাবতলীতে এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান। বিএনপির এই অবস্থান কর্মসূচি থেকে আমানউল্লাহ আমানকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শনিবার ২৯ জুলাই দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আমানউল্লাহকে পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়। আজ বেলা ১১টার দিকে খালেক পরিবহনের বাস কাউন্টারের সামনে আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা–কর্মীরা সড়কের একপাশে অবস্থান নেন। কাছাকাছি দূরত্বেই অবস্থান নেন আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরাও। আওয়ামী লীগের কর্মীরা বিএনপির অন্তত পাঁচজন নেতা–কর্মীকে ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এই বিষয়ে আমানউল্লাহ আমান পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে গেলে পুলিশের এডিসি নাজমুল ফিরোজ তাঁকে বলেন, ‘আপনাদের এখানে অবস্থানের অনুমতি নেই। পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হলো, আপনারা চলে যান।’ তার প্রতিউত্তরে আমানউল্লাহ বলেন, ‘আমি কোথাও যাচ্ছি না।’ পুলিশ সদস্যরা দুবার তাঁকে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করেন। এরপর পুলিশ ধাক্কা দিয়ে আমানউল্লাহ আমানসহ বিএনপির নেতা–কর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে মাজার রোডের নাবিল পরিবহনের সামনের সড়কে আমানউল্লাহ আমান শুয়ে পড়েন। পুলিশ তাঁকে সরানোর চেষ্টা করলেও তিনি তার অবস্থানে অনড় থাকেন।

এরপর সেখান থেকে আমানউল্লাহকে একটি পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়।