
বরিশালের গৌরনদীতে ৭ বছর বয়সী এক শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষনের ভিডিও ধারণও করেন ধর্ষণকারীরা।
এই অভিযোগে মূলহোতা মাহবুব বেপারীকে (১৮) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিরা হলো: উপজেলার পূর্ব ডুমুরিয়া গ্রামের মাহবুব ব্যাপারী (১৮), রফিকুল ব্যাপারী (১৭) ও আমির সরদার (১৭)।
এরপর শুক্রবার (২৮ জুলাই) রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। শনিবার (২৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় উত্তরায় এ বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানাবে র্যাব।
গৌরনদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হেলালউদ্দিন জানান, শিশুটির বাবা শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনি ঘরের সামনে মুদি দোকান দিয়ে ব্যবসা করেন। বাবা দোকানে ব্যস্ততার সুযোগে প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে পশ্চিম ডুমুরিয়া এলাকায় নির্মাণাধীন কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবনে নিয়ে যায় ধর্ষণকারীরা। পরবর্তীতে তারা পালক্রমে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। এরপর ধর্ষনের বিষয়টি শিশু তার বাবাকে জানায়। তখন তিনি অভিযুক্ত তিন যুবকের কাছে জানতে চাইলে তারা একে অন্যকে দোষারোপ করে মোবাইলে করা ভিডিও চিত্র শিশুর বাবাকে দেখিয়ে পরে চলে যায়। জানা যায়, পালাক্রমে ধর্ষণে অসুস্থ হয়ে পড়া শিশুটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেলের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।