বিএনপির কর্মসূচি ঠেকাবে আওয়ামী লীগ

বিএনপির অবরোধ, ঘেরাও, অবস্থান ঢাকা অচল করার মতো কর্মসূচি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামীলীগ। এসব কর্মসূচি বিএনপিকে করতে দিবে না ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ সর্বাত্মকভাবে এসব কর্মসূচি প্রতিরোধ করবে। এদিকে আবার বিএনপির শান্তি সভা সমাবেশে কোনো ধরনের বাধা দিবে না বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, বিএনপির শনিবারের ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি সুযোগ পেলেই ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের মতো জ্বালাও-পোড়াও শুরু করবে—আওয়ামী লীগের এই ব্যাখ্যা আরও জোর পাবে।

আওয়ামী লীগ ও সরকারের নীতিনির্ধারণী সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন ভিসা নীতি, র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও পশ্চিমা চাপ—এসব কারণে বিরোধীদের আন্দোলন কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যত্রতত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত আছে। এ জন্য এত দিন পুলিশ খুব বেশি চড়াও হয়নি। এদিকে শনিবার বিএনপি ও তাদের মিত্রদের ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি ছিল ‘অচলাবস্থা’ সৃষ্টির কর্মসূচি। এ জন্যে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও আক্রমণাত্মক ভূমিকায় নামে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ রাজপথ ছেড়ে দিলে বিএনপি কী করতে পারে, শনিবার এটা প্রমাণিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ওই দিন মাঠে থাকতে চায়নি। কিন্তু বিএনপি যখন ধ্বংসাত্মক হওয়ার চেষ্টা করেছে, তখনই আওয়ামী লীগ মাঠে নেমেছে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী একাধিক সূত্র বলছে, অবরোধ, ঘেরাও, অবস্থান—এ ধরনের কর্মসূচিকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির এবং সরকার অচল করার কর্মসূচি বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। এর সঙ্গে গণতান্ত্রিক অধিকার ও নির্বাচন সুষ্ঠু করার সম্পর্ক নেই। তাই এ ধরনের কর্মসূচি কঠোর হাতে দমন করা হবে। তবে নির্বাচনের প্রস্তুতি বা বিরোধীদের সভা-সমাবেশকে স্বাভাবিক কর্মসূচি হিসেবে বিবেচনা করবে আওয়ামী লীগ।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির কর্মসূচি ঠেকাবে আওয়ামী লীগ

আপডেট সময় : ১২:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০২৩

বিএনপির অবরোধ, ঘেরাও, অবস্থান ঢাকা অচল করার মতো কর্মসূচি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামীলীগ। এসব কর্মসূচি বিএনপিকে করতে দিবে না ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ সর্বাত্মকভাবে এসব কর্মসূচি প্রতিরোধ করবে। এদিকে আবার বিএনপির শান্তি সভা সমাবেশে কোনো ধরনের বাধা দিবে না বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, বিএনপির শনিবারের ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি সুযোগ পেলেই ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালের মতো জ্বালাও-পোড়াও শুরু করবে—আওয়ামী লীগের এই ব্যাখ্যা আরও জোর পাবে।

আওয়ামী লীগ ও সরকারের নীতিনির্ধারণী সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন ভিসা নীতি, র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও পশ্চিমা চাপ—এসব কারণে বিরোধীদের আন্দোলন কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যত্রতত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত আছে। এ জন্য এত দিন পুলিশ খুব বেশি চড়াও হয়নি। এদিকে শনিবার বিএনপি ও তাদের মিত্রদের ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি ছিল ‘অচলাবস্থা’ সৃষ্টির কর্মসূচি। এ জন্যে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও আক্রমণাত্মক ভূমিকায় নামে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ রাজপথ ছেড়ে দিলে বিএনপি কী করতে পারে, শনিবার এটা প্রমাণিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ওই দিন মাঠে থাকতে চায়নি। কিন্তু বিএনপি যখন ধ্বংসাত্মক হওয়ার চেষ্টা করেছে, তখনই আওয়ামী লীগ মাঠে নেমেছে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী একাধিক সূত্র বলছে, অবরোধ, ঘেরাও, অবস্থান—এ ধরনের কর্মসূচিকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির এবং সরকার অচল করার কর্মসূচি বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। এর সঙ্গে গণতান্ত্রিক অধিকার ও নির্বাচন সুষ্ঠু করার সম্পর্ক নেই। তাই এ ধরনের কর্মসূচি কঠোর হাতে দমন করা হবে। তবে নির্বাচনের প্রস্তুতি বা বিরোধীদের সভা-সমাবেশকে স্বাভাবিক কর্মসূচি হিসেবে বিবেচনা করবে আওয়ামী লীগ।