গৃহবধূকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যায় শাশুড়ির মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে গৃহবধূকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যায় শাশুড়িকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও  ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট এম এ আফজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালে করিমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ উলুখলা গ্রামের আসিকুল হকের সঙ্গে মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া গ্রামের নাজির মিয়ার কন্যা পাপিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য তাকে চাপ দিতে থাকেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বাবার বাড়ি থেকে টাকা দিতে না পারায় তার ওপর শুরু হয় নির্যাতন। ২০১৫ সালের ২ মে সকালে পাপিয়া আক্তারকে মারপিট করে তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে ৭ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূ পাপিয়া আক্তারের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহত পাপিয়া আক্তারের ভাই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে স্বামী, দেবর, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ফুফু শাশুড়িকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করিমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যায় শাশুড়ির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:৩২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে গৃহবধূকে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যায় শাশুড়িকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও  ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট এম এ আফজল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালে করিমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ উলুখলা গ্রামের আসিকুল হকের সঙ্গে মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া গ্রামের নাজির মিয়ার কন্যা পাপিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য তাকে চাপ দিতে থাকেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বাবার বাড়ি থেকে টাকা দিতে না পারায় তার ওপর শুরু হয় নির্যাতন। ২০১৫ সালের ২ মে সকালে পাপিয়া আক্তারকে মারপিট করে তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। পরে ৭ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূ পাপিয়া আক্তারের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহত পাপিয়া আক্তারের ভাই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে স্বামী, দেবর, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ফুফু শাশুড়িকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করিমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।