
নিম্নচাপ ও পূর্ণিমার প্রভাবে দুই থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে গোটা সুন্দরবন।
বুধবার থেকে ২৪ ঘণ্টায় দু’বার করে এভাবে তলিয়ে থাকছে সুন্দরবন। সুন্দরবনের বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় এলাকা পাঁচ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে থাকালেও সব থেকে উঁচু এলাকা এই ম্যানগ্রোভ বনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রও দুই ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে, দু’দিন ধরে জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবনের বন্যপ্রাণি ভাগ্যে কি ঘটেছে তা নিশ্চিত করে জানা না গেলেও করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রর সেডে থাকা হরিণ, কুমির ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির বাটাগুর বাচকা কচ্ছপগুলো নিরাপদ রয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার মো. আজাদ কবির জানান, বুধবার থেকে সুন্দরবনের সব থেকে উঁচু এলাকা করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রটি জলোচ্ছ্বাসে দুই ফুট পানিতে ২৪ ঘণ্টায় দু’বার তলিয়ে থাকছে। এই বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রর সেডে থাকা হরিণ, কুমির ও বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির বাটাগুর বাচকা কচ্ছপগুলো নিরাপদ রয়েছে। বঙ্গোপসাগর উপকূলে সুন্দরবনের সব থেকে নিচু এলাকায় হরিণসহ ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণিরা ঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় গাছ ও শতাধিক পুতুরের উচু পাড় ও বন বিভাগের অফিস এলাকঅয় আশ্রয় নিয়ে টিকে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে সুন্দরবনের বন্যপ্রানিদের রক্ষায় মাটির উঁচু ১২টি টিলা নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।