যাকে মনোনয়ন দিই, তাকেই জয়ী করবেন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৬৮৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি- অনলাইন।

চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অথবা ২০২৪ সালে জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনের দিনক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে রাজনীতির মাঠে ততই বাড়ছে উত্তাপ। আর তাই নির্বাচনের পাঁচ মাস আগে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা দলের তৃণমূলের নেতাদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, উজ্জীবিত করা এবং নির্বাচনী বার্তা দিতে বিশেষ বর্ধিত সভা করেছে আওয়ামী লীগ।

ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচন সামনে রেখে শুরু হয়েছে নানামুখী ষড়যন্ত্র। দলের নেতা-কর্মীরা যাতে এই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে না পড়েন এজন্য দলের সারা দেশের নেতাদের একসাথে জড়ো করে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশেষ বর্ধিত সভা সূত্রে জানা গেছে, সভায় সারা দেশ থেকে আসা দলের নেতাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। বলেছেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব। আর এজন্য বিভেদ, অনৈক্য ভুলে নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের নির্দেশনাও দিয়েছেন। দলের নেতারা বলছেন, নির্বাচনের আগে এই বিশেষ বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে দলের নেতাদের মনোবল আরো চাঙা হয়েছে।এই সভা থেকে দলের তৃণমূলের নেতারা নতুন শক্তি নিয়ে এলাকায় ফিরেছেন।

৬ আগস্ট, রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার কিছু পর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সভা শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। আর সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিশেষ বর্ধিত সভায় যোগ দিতে সকাল ৯টা থেকেই গণভবনে প্রবেশ করা শুরু করেন দলটির তৃণমূলের নেতারা। সকাল সাড়ে ১০টার কিছুক্ষণ পর সভামঞ্চে আসেন শেখ হাসিনা। ‘শত সংগ্রামে অজস্র গৌরবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে’ শীর্ষক এই বিশেষ বর্ধিত সভায় সূচনা বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক। দলের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের পর সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্ধিত সভা শুরু করার অনুমতি দেন। পরে দলের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব পাঠ করেন।

সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি জেলা ও মহানগর এবং উপজেলা, থানা, পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকেরা অংশ নেন। সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানরা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়ররাও ছিলেন এ সভায়। এছাড়া আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও বৈঠকে অংশ নেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যাকে মনোনয়ন দিই, তাকেই জয়ী করবেন

আপডেট সময় : ০২:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০২৩

চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অথবা ২০২৪ সালে জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে চায় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনের দিনক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে রাজনীতির মাঠে ততই বাড়ছে উত্তাপ। আর তাই নির্বাচনের পাঁচ মাস আগে সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা দলের তৃণমূলের নেতাদের ঐক্যবদ্ধ রাখা, উজ্জীবিত করা এবং নির্বাচনী বার্তা দিতে বিশেষ বর্ধিত সভা করেছে আওয়ামী লীগ।

ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচন সামনে রেখে শুরু হয়েছে নানামুখী ষড়যন্ত্র। দলের নেতা-কর্মীরা যাতে এই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে না পড়েন এজন্য দলের সারা দেশের নেতাদের একসাথে জড়ো করে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিশেষ বর্ধিত সভা সূত্রে জানা গেছে, সভায় সারা দেশ থেকে আসা দলের নেতাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। বলেছেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব। আর এজন্য বিভেদ, অনৈক্য ভুলে নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের নির্দেশনাও দিয়েছেন। দলের নেতারা বলছেন, নির্বাচনের আগে এই বিশেষ বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে দলের নেতাদের মনোবল আরো চাঙা হয়েছে।এই সভা থেকে দলের তৃণমূলের নেতারা নতুন শক্তি নিয়ে এলাকায় ফিরেছেন।

৬ আগস্ট, রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার কিছু পর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সভা শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সভায় সভাপতিত্ব করেন। আর সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিশেষ বর্ধিত সভায় যোগ দিতে সকাল ৯টা থেকেই গণভবনে প্রবেশ করা শুরু করেন দলটির তৃণমূলের নেতারা। সকাল সাড়ে ১০টার কিছুক্ষণ পর সভামঞ্চে আসেন শেখ হাসিনা। ‘শত সংগ্রামে অজস্র গৌরবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে’ শীর্ষক এই বিশেষ বর্ধিত সভায় সূচনা বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক। দলের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের পর সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্ধিত সভা শুরু করার অনুমতি দেন। পরে দলের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া শোক প্রস্তাব পাঠ করেন।

সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি জেলা ও মহানগর এবং উপজেলা, থানা, পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকেরা অংশ নেন। সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যানরা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়ররাও ছিলেন এ সভায়। এছাড়া আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও বৈঠকে অংশ নেন।