ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস আজ, উত্তোলনযোগ্য মজুতের ৯৫ শতাংশ শেষ

আজ ৯ আগস্ট জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস। ২০১০ সাল থেকে সরকারিভাবে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

এবার এ দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশের প্রত্যয়, জ্বালানির সাশ্রয়। যদিও গ্যাস সাশ্রয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ২০১৮ সালের পর থেকে গ্যাসের উৎপাদন কমছে। ঘাটতি পূরণে এলএনজি আমদানিতে ঝুঁকেছে সরকার। হবিগঞ্জ বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র চাহিদা মেটাতে সক্ষমতার চেয়ে বেশি গ্যাস উৎপাদন করে আসছে। ইতোমধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুতের ৯৫ শতাংশ শেষ হয়ে আসছে। এক বছরের মধ্যে বাকি মজুদ শেষ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশের সবচেয়ে বেশি মজুত থাকা তিনটি গ্যাসক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস, সিলেটের কৈলাসটিলা ও হবিগঞ্জের রশিদপুর। দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে এই তিনটি গ্যাস ক্ষেত্র থেকে উৎপাদন কমেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন , কারিগরি পরিকল্পনা ও দক্ষ প্রযুক্তির অভাবে মজুত থাকার পরও উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। অথচ কম মজুত থাকা বিবিয়ানা থেকে কয়েক গুণ উৎপাদন বাড়িয়ে তা শেষ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, বিবিয়ানায় গ্যাসের মজুত শেষ হয়ে আসার তথ্য সঠিক নয়। এ তথ্য সংশোধন করা হবে। এটির মজুত নিয়ে নতুন করে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া উৎপাদন যাতে কমে না যায়, সে জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শেভরনও এটি নিয়ে কাজ করছে। আবিষ্কারের সময় বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের প্রাথমিক মজুত ধরা হয়েছিল ৮ হাজার ৩৮৩ বিসিএফ। উত্তোলনযোগ্য মজুত ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৭৫৫ বিসিএফ। এর মধ্যে গত মার্চ পর্যন্ত উৎপাদন করা হয়েছে ৫ হাজার ৫০১ বিসিএফ। তবে পেট্রোবাংলার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, হাইড্রোকার্বন ইউনিটের দেওয়া গ্যাস মজুতের তথ্যটি পুরোনো। বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র পরিচালনার চুক্তি ২০৩৪ সাল পর্যন্ত নবায়ন করেছে শেভরন। এর মধ্যে নতুন কূপ খনন করে মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে তাদের। নতুন করে মজুত যাচাই করছে তারা। কারণ, প্রতিদিন এখনো একই হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে, এতে গ্যাসের চাপ কমছে না। মজুত ফুরিয়ে এলে চাপ কমে যাওয়ার কথা। তবে গ্যাসের বর্তমান মজুত সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি তারা।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস আজ, উত্তোলনযোগ্য মজুতের ৯৫ শতাংশ শেষ

আপডেট সময় : ১১:৩১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০২৩

আজ ৯ আগস্ট জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস। ২০১০ সাল থেকে সরকারিভাবে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

এবার এ দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশের প্রত্যয়, জ্বালানির সাশ্রয়। যদিও গ্যাস সাশ্রয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। ২০১৮ সালের পর থেকে গ্যাসের উৎপাদন কমছে। ঘাটতি পূরণে এলএনজি আমদানিতে ঝুঁকেছে সরকার। হবিগঞ্জ বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র চাহিদা মেটাতে সক্ষমতার চেয়ে বেশি গ্যাস উৎপাদন করে আসছে। ইতোমধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুতের ৯৫ শতাংশ শেষ হয়ে আসছে। এক বছরের মধ্যে বাকি মজুদ শেষ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশের সবচেয়ে বেশি মজুত থাকা তিনটি গ্যাসক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস, সিলেটের কৈলাসটিলা ও হবিগঞ্জের রশিদপুর। দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে এই তিনটি গ্যাস ক্ষেত্র থেকে উৎপাদন কমেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন , কারিগরি পরিকল্পনা ও দক্ষ প্রযুক্তির অভাবে মজুত থাকার পরও উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। অথচ কম মজুত থাকা বিবিয়ানা থেকে কয়েক গুণ উৎপাদন বাড়িয়ে তা শেষ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, বিবিয়ানায় গ্যাসের মজুত শেষ হয়ে আসার তথ্য সঠিক নয়। এ তথ্য সংশোধন করা হবে। এটির মজুত নিয়ে নতুন করে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ছাড়া উৎপাদন যাতে কমে না যায়, সে জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শেভরনও এটি নিয়ে কাজ করছে। আবিষ্কারের সময় বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের প্রাথমিক মজুত ধরা হয়েছিল ৮ হাজার ৩৮৩ বিসিএফ। উত্তোলনযোগ্য মজুত ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৭৫৫ বিসিএফ। এর মধ্যে গত মার্চ পর্যন্ত উৎপাদন করা হয়েছে ৫ হাজার ৫০১ বিসিএফ। তবে পেট্রোবাংলার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, হাইড্রোকার্বন ইউনিটের দেওয়া গ্যাস মজুতের তথ্যটি পুরোনো। বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র পরিচালনার চুক্তি ২০৩৪ সাল পর্যন্ত নবায়ন করেছে শেভরন। এর মধ্যে নতুন কূপ খনন করে মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে তাদের। নতুন করে মজুত যাচাই করছে তারা। কারণ, প্রতিদিন এখনো একই হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে, এতে গ্যাসের চাপ কমছে না। মজুত ফুরিয়ে এলে চাপ কমে যাওয়ার কথা। তবে গ্যাসের বর্তমান মজুত সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেনি তারা।