
আওয়ামীলীগের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বিজেপির আমন্ত্রণে তিন দিনের সফরে ভারত গিয়েছিলো।
গত ৬ থেকে ৯ আগস্ট ভারত সফর করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। সফর শেষে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভারতকে পাশে পাবে আওয়ামী লীগ—এমন একটা ধারণা নিয়ে দেশে ফিরেছেন ক্ষমতাসীন দলটির প্রতিনিধিরা। তিন দিনের ভারত সফরে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলটি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সভাপতি জেপি নাড্ডাসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে।
গতকাল বৃহস্পতিবার ১০ আগস্ট এই সফর নিয়ে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সফরে তাঁরা জেনেছেন যে ভারত বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা চায়। ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক রক্তের অক্ষরে লেখা। এই সম্পর্কের সাথে কারও সম্পর্ক তুলনীয় নয়। সংবাদ সম্মেলনে ভারত সফর করা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা যাদের সাথে আলোচনা করেছি, তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, বাংলাদেশে সংবিধানের আলোকে নির্বাচন হবে। এখানে যেসব দাবি আছে সেগুলোর প্রয়োজন নাই, এটা তারা বোঝে। তারা মনে করে সংবিধানের আলোকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট বাংলাদেশে হবে। আমাদের সাথে জঙ্গিবাদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জঙ্গিদের একটি ক্রস বর্ডার কানেকশন রয়েছে, এটা নিয়ে তারা ওয়াকিবহাল আছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলটি ৬ আগস্ট রাতে ভারতের দিল্লি পৌঁছায়। পরদিন প্রথমে বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডার বাসায় বৈঠক হয়। এ সময় নাড্ডা বলেন, তাঁর দল এ অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাস দমনের স্বার্থে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।