
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঔষধ ব্যবসায়ীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় আজ বুধবার (১৬ আগস্ট) থেকে জেলাজুড়ে ওষুধ বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি।
এদিকে খুমেক ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের দাবি হামলায় জড়িত ওষুধ ব্যবসায়ীদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। সোমবার ১৪ আগস্ট রাত থেকে খুমেক হাসপাতালের সামনের ঔষধের কিছু দোকান বন্ধ রাখায় মঙ্গলবার ১৫ আগস্ট রাতে জরুরি সভা করা হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আজ ১৬ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির পক্ষ থেকে খুলনা জেলাব্যাপী সব ঔষধের দোকান বন্ধ রাখা হবে। খুমেক হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. সাইফুল ইসলাম অন্তর বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত আমাদের ধর্মঘট চলবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির পরিচালক ও খুলনা জেলা শাখার সদস্য মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল বলেন, খুলনার বিভিন্ন শাখা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার রাতে এক জরুরি সভা করা হয়। এতে সিদ্ধান্ত হয়- ঔষধের ব্যবসায়ীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত খুলনার সব ওষুধের দোকান আজ থেকে বন্ধ থাকবে। অপরদিকে হাসপাতালে আগত এবং ভর্তি রোগীদের যেন কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য বাড়তি চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত ঔষধেরও কোনো সংকট নেই বলে জানান খুলনা মেডিকেল কলেজের উপ-পরিচালক ডা. নিয়াজ মোস্তাফি চৌধুরী।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মো. মমতাজুল হক জানিয়েছেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওষুধ ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের ঘটনাটি নিয়ে খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল আজ উভয়পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে একটি সমাধানের চেষ্টা করবেন।