ত্বক থেকে চুলের যত্নে অদ্বিতীয় তুলসী, জেনে নিন এর উপকারিতা

তুলসী একটি সুগন্ধযুক্ত বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। তুলসীর কিন্তু শরীর পরিচর্যার ক্ষেত্রে জুড়ি মেলা ভার। ত্বক থেকে চুল, সকল পরিচর্যাতেই পারদর্শী এই উদ্ভিদ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ত্বক ও চুলের ক্ষেত্রে তুলসীর উপকারিতা-

১. ব্রণ একটি অতি গুরুতর সমস্যা আমাদের জীবনের। কিন্তু এটি প্রতিরোধেও তুলসীর গুণ অতুলনীয়। তুলসীতে থাকে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (Antibacterial) উপাদান। ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে গিয়ে, ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হলে ব্রণ হয়। তাই প্রতিদিন কয়েক কুঁচো তুলসী পাতা, বা সকালে উঠে তুলসীর রস খেলে খালি পেটে, ব্রণর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

২. তুলসীতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Antioxidant) উপাদান থাকে, যা ত্বকের বার্ধক্য হ্রাস করে। আমাদের ত্বক সহজে বার্ধ্যকের দিকে এগিয়ে যায়। তুলসী ত্বকের এই সমস্যার অনেকটা উপশম করে।

৩. তুলসীর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet Ray) এবং পরিবেশের বিষাক্ত উপাদান থেকে চামড়াকে রক্ষা করে। তাই চামড়ার ক্ষতি রুখতে তুলসী পাতা চিবনো এবং তুলসীর রস পান করা আবশ্যক।

৪. আয়ুর্বেদে, চুল পড়া বা পাতলা হওয়া রোধ করতে এবং চুলের ঘনত্ব উন্নত করতে তুলসি ব্যবহার করা হয়। মনে করা হয় যে তুলসীর প্রদাহ-বিরোধী উপাদান চুলের বিকাশকে উদ্দীপিত করতে পারে। যার ফলে চুল পড়া প্রতিরোধ হয় এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো হয়।

৫. ব্যাকটেরিয়া শুধু নয়, ছত্রাক বা ফাংগাল (Fungal Infection) জাতীয় ইনফেকশনের কারণে মাথায় খুশকির প্রবণতা বাড়ে। তুলসীতে অ্যান্টিফাংগাল (Antifungal) উপাদান থাকার দরুন, খুশকি প্রতিরোধে তুলসীর অবদান বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্বক থেকে চুলের যত্নে অদ্বিতীয় তুলসী, জেনে নিন এর উপকারিতা

আপডেট সময় : ০১:০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

তুলসী একটি সুগন্ধযুক্ত বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। তুলসীর কিন্তু শরীর পরিচর্যার ক্ষেত্রে জুড়ি মেলা ভার। ত্বক থেকে চুল, সকল পরিচর্যাতেই পারদর্শী এই উদ্ভিদ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ত্বক ও চুলের ক্ষেত্রে তুলসীর উপকারিতা-

১. ব্রণ একটি অতি গুরুতর সমস্যা আমাদের জীবনের। কিন্তু এটি প্রতিরোধেও তুলসীর গুণ অতুলনীয়। তুলসীতে থাকে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল (Antibacterial) উপাদান। ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে গিয়ে, ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত হলে ব্রণ হয়। তাই প্রতিদিন কয়েক কুঁচো তুলসী পাতা, বা সকালে উঠে তুলসীর রস খেলে খালি পেটে, ব্রণর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

২. তুলসীতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Antioxidant) উপাদান থাকে, যা ত্বকের বার্ধক্য হ্রাস করে। আমাদের ত্বক সহজে বার্ধ্যকের দিকে এগিয়ে যায়। তুলসী ত্বকের এই সমস্যার অনেকটা উপশম করে।

৩. তুলসীর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet Ray) এবং পরিবেশের বিষাক্ত উপাদান থেকে চামড়াকে রক্ষা করে। তাই চামড়ার ক্ষতি রুখতে তুলসী পাতা চিবনো এবং তুলসীর রস পান করা আবশ্যক।

৪. আয়ুর্বেদে, চুল পড়া বা পাতলা হওয়া রোধ করতে এবং চুলের ঘনত্ব উন্নত করতে তুলসি ব্যবহার করা হয়। মনে করা হয় যে তুলসীর প্রদাহ-বিরোধী উপাদান চুলের বিকাশকে উদ্দীপিত করতে পারে। যার ফলে চুল পড়া প্রতিরোধ হয় এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো হয়।

৫. ব্যাকটেরিয়া শুধু নয়, ছত্রাক বা ফাংগাল (Fungal Infection) জাতীয় ইনফেকশনের কারণে মাথায় খুশকির প্রবণতা বাড়ে। তুলসীতে অ্যান্টিফাংগাল (Antifungal) উপাদান থাকার দরুন, খুশকি প্রতিরোধে তুলসীর অবদান বেশ গুরুত্বপূর্ণ।