
রাজবাড়ীর সদর উপজেলায় ফেনসিডিল ও মদের ব্যবসা গড়ে তুলেছিলো দুই সতীন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার খানখানাপুর ছোট ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। দুই সতীনসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বহন করা প্রাইভেট কারটিও আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আটকৃতরা হলেন- নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাখালগাছা গ্রামের রোকন ওরফে আব্দুলাহর দুই স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম (৪০) ও সাথী বেগম (২৮), ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ঘোনা গ্রামের মৃত সাত্তারের স্ত্রী নুর নাহার (৪৯) ও শেরপুরের নকলা উপজেলার রামেরকান্দি গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে আরিফ হোসেন (৩৫)।
আহলাদিপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাখালগাছা গ্রামের রোকন ওরফে আব্দুলাহ সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দুই সতিন দেলোয়ারা বেগম ও সাথী বেগমকে নিয়ে ভাড়া থাকেন। দুই স্ত্রীকে আলাদা ভাড়া বাসায় রাখেন রোকন। দুজনকে দিয়ে মাদক ব্যবসা করান তিনি। তাদের রয়েছে বড় মাদকের সিন্ডিকেট। দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় গিয়ে ফেনসিডিল ও মদসহ বিভিন্ন মাদক সংগ্রহ করেন তারা। আশুলিয়ার জামগড়ায় নিজেদের ভাড়া বাসায় এনে ঢাকাসহ আশেপাশের এলাকায় চড়া দামে বিক্রি করেন। দুই সতিন তাদের সহযোগী নুর নাহারকে নিয়ে যশোরের ঝিকরগাছা থেকে ১৭৫ বোতল ফেনসিডিল ও দুই বোতল ভারতীয় মদ সংগ্রহ করে প্রাইভেটকারে করে আশুলিয়ার জামগড়ায় নিজেদের ভাড়া বাসায় যাচ্ছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে খানখানাপুর ছোট ব্রিজ এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে চেকপোস্ট পরিচালনা করার সময় তাদের প্রাইভেটকারটি থামায় পুলিশ। প্রাইভেটকারটি তল্লাশি করে দুই সতিন ও তাদের সহযোগীর পায়ের কাছ থেকে দুটি ব্যাগভর্তি ১৭৫ বোতল ফেনসিডিল ও দুই বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে তাদের তিনজনকে ও প্রাইভেটকারের চালককে আটক ও প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, আহলাদিপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এম. আল মামুদ বাদী হয়ে আটকদের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন।