শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমসের গুদাম থেকে ২৫ কেজি সোনা উধাও

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমসের গুদাম থেকে প্রায় ২৫ কেজি সোনা চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। চুরি হওয়া সোনার মধ্যে রয়েছে অলংকার ও সোনার বার। যদিও কতটুকু সোনা চুরি হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পারেনি ঢাকা কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা। কর্মকর্তারা অনুমান করছেন, চুরি হওয়া সোনার পরিমাণ ২০-৩০ কেজি।

আজ রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার নুরুল হুদা আজাদ বলেন, গুদাম থেকে সোনা চুরি হওয়ার বিষয়টি মোটামুটিভাবে আমরা নিশ্চিত। একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কাজ করছে বলে আমরা অনুমান করছি। কাস্টমস হাউস ও সিআইডিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি টিম দোষীদের শনাক্ত করতে কাজ করছে। যত দ্রুত সম্ভব দোষীদের বিরুদ্ধে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাস্টমস হাউসের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই জব্দকৃত মালামাল গুদাম থেকে চুরি হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টমস হাউস কাজ করছিল। শুক্রবার ও শনিবার কাস্টমস হাউজের আলাদা দুটি টিম গুদামের মালামালের তালিকা প্রস্তুত করা এবং গুদাম পরিষ্কারের কাজ শুরু করে। গতকাল (শনিবার) একটি টিম দেখতে পায় যে, বাইরে থেকে তালা অক্ষত থাকলেও ভেতরের লকার ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। এরপরই সন্দেহ সত্যি বলে প্রমাণিত হয়। গুদামের মালামালের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। দ্রুতই চুরি হওয়া প্রকৃত মালামাল সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য বের করা সম্ভব হবে।

তারা ধারণা করছেন, চোর নিজেদের ভিতরেই রয়েছে। চোর শনাক্তে তাদের একটি যৌথ টিম কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমসের গুদাম থেকে ২৫ কেজি সোনা উধাও

আপডেট সময় : ০৪:১৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমসের গুদাম থেকে প্রায় ২৫ কেজি সোনা চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। চুরি হওয়া সোনার মধ্যে রয়েছে অলংকার ও সোনার বার। যদিও কতটুকু সোনা চুরি হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে পারেনি ঢাকা কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা। কর্মকর্তারা অনুমান করছেন, চুরি হওয়া সোনার পরিমাণ ২০-৩০ কেজি।

আজ রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার নুরুল হুদা আজাদ বলেন, গুদাম থেকে সোনা চুরি হওয়ার বিষয়টি মোটামুটিভাবে আমরা নিশ্চিত। একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কাজ করছে বলে আমরা অনুমান করছি। কাস্টমস হাউস ও সিআইডিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি টিম দোষীদের শনাক্ত করতে কাজ করছে। যত দ্রুত সম্ভব দোষীদের বিরুদ্ধে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাস্টমস হাউসের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই জব্দকৃত মালামাল গুদাম থেকে চুরি হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টমস হাউস কাজ করছিল। শুক্রবার ও শনিবার কাস্টমস হাউজের আলাদা দুটি টিম গুদামের মালামালের তালিকা প্রস্তুত করা এবং গুদাম পরিষ্কারের কাজ শুরু করে। গতকাল (শনিবার) একটি টিম দেখতে পায় যে, বাইরে থেকে তালা অক্ষত থাকলেও ভেতরের লকার ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। এরপরই সন্দেহ সত্যি বলে প্রমাণিত হয়। গুদামের মালামালের চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। দ্রুতই চুরি হওয়া প্রকৃত মালামাল সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য বের করা সম্ভব হবে।

তারা ধারণা করছেন, চোর নিজেদের ভিতরেই রয়েছে। চোর শনাক্তে তাদের একটি যৌথ টিম কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।