
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ইশতেহারে ঘোষণা করেছিল রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশ হবে ডিজিটাল।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হয়েছে। আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ায় এডুকেয়ার আইডিয়ার স্কুল এ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষক ও অভিভাবক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা এ দেশের মানুষকে ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। বাংলাদেশকে স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। ইতোমধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজও শুরু করেছেন। এখন আমাদের লক্ষ্য একটাই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ।
জ্ঞানভিত্তিক মানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে আমাদের সেভাবে প্রস্তুত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞান থাকতে হবে।
স্মার্ট বাংলাদেশ হবে তরুণ প্রজন্মের মাধ্যমে। তাই তাদের মধ্যে যথেষ্ট প্রযুক্তি জ্ঞান থাকতে হবে। জ্ঞানভিত্তিক মানসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, বলেন হানিফ।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের প্রথম শর্ত প্রথম স্মার্ট নাগরিক সিটিজেন তৈরি করা। স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সরকার ও স্মার্ট সোসাইটি গড়ে তুলতে হবে। সবগুলো যখন করা সম্ভব হবে তখনই স্মার্ট বাংলাদেশ হবে। সরকারের পক্ষ থেকে সর্ব্বোচ্চ প্রচেষ্টা আছে।
তিনি বলেন. শিক্ষার আলো না থাকলে সেই মানুষ অন্ধ। যার মধ্যে জ্ঞান নেই তার মধ্যে আলো নেই। শিক্ষার বিকল্প নেই। পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি সুশিক্ষার প্রয়োজন আছে। শিশুদেরকে নীতি-নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তুলতে পারলে দেশের উন্নয়ন টেকসই হবে।

এ.আর.টি 










