নির্বাচনের আগমুহূর্তে এজেন্টদের গ্রেফতার করা যাবে না- সিইসি

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে লক্ষ্য করে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করে যাচ্ছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় আয়োজন করা হলো অবাধ ভোটাধিকার প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা। যেখানে নির্বাচনী এজেন্টদের নির্বাচনের ছয় মাস আগে গ্রেফতার করতে, আর না হয় নির্বাচনের পরে গ্রেফতার করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

আজ বুধবার ৪ অক্টোবর নির্বাচন ভবনে সাবেক নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কর্মকর্তা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করে ইসি। কর্মশালায় কাজী হাবিবুল আউয়াল এমন আহ্বান করে বলেন, নির্বাচনে শক্তি প্রয়োগ করার বিষয় চিরকালই হয়ে আসছে।

তবে কমিশনের প্রধান লক্ষ্য ভোটারদের ভোটাধিকার। এ সময় সিইসি সরকারের উদ্দেশে বলেন, এজেন্টদের হয় নির্বাচনের ছয় মাস আগে গ্রেফতার করেন, আর না হয় নির্বাচনের পরে করেন। কোনো দলের পক্ষপাতিত্ব করার জন্য আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করিনি। সংলাপে সমঝোতার মাধ্যমে একটা অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ইসির কাজ সহজ হয়ে যেত।

৭০ শতাংশ ভোটার আসলে তখন সেটিকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলে মনে হবে। বৈঠকে জেলা পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাদের সংযুক্ত করে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সাবেকদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয় কাজী হাবিবুল আউয়াল।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনের আগমুহূর্তে এজেন্টদের গ্রেফতার করা যাবে না- সিইসি

আপডেট সময় : ০৪:২৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে লক্ষ্য করে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করে যাচ্ছে ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় আয়োজন করা হলো অবাধ ভোটাধিকার প্রার্থী ও পোলিং এজেন্টদের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা। যেখানে নির্বাচনী এজেন্টদের নির্বাচনের ছয় মাস আগে গ্রেফতার করতে, আর না হয় নির্বাচনের পরে গ্রেফতার করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

আজ বুধবার ৪ অক্টোবর নির্বাচন ভবনে সাবেক নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কর্মকর্তা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করে ইসি। কর্মশালায় কাজী হাবিবুল আউয়াল এমন আহ্বান করে বলেন, নির্বাচনে শক্তি প্রয়োগ করার বিষয় চিরকালই হয়ে আসছে।

তবে কমিশনের প্রধান লক্ষ্য ভোটারদের ভোটাধিকার। এ সময় সিইসি সরকারের উদ্দেশে বলেন, এজেন্টদের হয় নির্বাচনের ছয় মাস আগে গ্রেফতার করেন, আর না হয় নির্বাচনের পরে করেন। কোনো দলের পক্ষপাতিত্ব করার জন্য আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করিনি। সংলাপে সমঝোতার মাধ্যমে একটা অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ইসির কাজ সহজ হয়ে যেত।

৭০ শতাংশ ভোটার আসলে তখন সেটিকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলে মনে হবে। বৈঠকে জেলা পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাদের সংযুক্ত করে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সাবেকদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয় কাজী হাবিবুল আউয়াল।