গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ শিশুসহ দম্পতি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন শিশুসহ স্বামী-স্ত্রী।

শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আড়াইহাজারের নাগেরচর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের একটি বাড়ির নিচ তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- অরিজিৎ (৩৫), তার স্ত্রী রিংকু (২৮) ও তাদের দেড় বছর বয়সী সন্তান কাব্য।

তাদের প্রতিবেশী আরমান আলি মোল্লা জানান, রাতে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে দগ্ধ ৩ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন, ওই বাসায় তারা গ্যাস সিলিন্ডারের মাধ্যমে রান্না করেন। রাত ৩টার দিকে রিংকু বাচ্চার জন্য দুধ গরম করতে রান্না ঘরে যান। এরপর দিয়াশলাই জ্বালাতেই সারা ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে তারা ৩ জন দগ্ধ হন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, রিংকুর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এছাড়াও তার স্বামীর ১৪ শতাংশ এবং সন্তানের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ শিশুসহ দম্পতি

আপডেট সময় : ০৩:০২:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন শিশুসহ স্বামী-স্ত্রী।

শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আড়াইহাজারের নাগেরচর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের একটি বাড়ির নিচ তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- অরিজিৎ (৩৫), তার স্ত্রী রিংকু (২৮) ও তাদের দেড় বছর বয়সী সন্তান কাব্য।

তাদের প্রতিবেশী আরমান আলি মোল্লা জানান, রাতে খবর পেয়ে ওই বাসা থেকে দগ্ধ ৩ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন, ওই বাসায় তারা গ্যাস সিলিন্ডারের মাধ্যমে রান্না করেন। রাত ৩টার দিকে রিংকু বাচ্চার জন্য দুধ গরম করতে রান্না ঘরে যান। এরপর দিয়াশলাই জ্বালাতেই সারা ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে তারা ৩ জন দগ্ধ হন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানান, রিংকুর অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। এছাড়াও তার স্বামীর ১৪ শতাংশ এবং সন্তানের ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।