
নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান জানিয়েছেন আগামী নভেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে, পরিস্থিতি খারাপ হলে অবস্থা বুঝে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে আইন প্রসাশনের সাথে এক আলোচোনা সভায় এই সিধান্তের কথা জানান। তবে মাঠ পর্যালচনা করে তেমন কোন প্রতিবন্ধকতা নেই বলেও তিনি জানান। আর দ্বাদশ সংসদ নির্বচনের ভোট হবে আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।
বুধবার ইসি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং কালে তিনি এ কথা জানান। তিনি আরও বলেন, ‘প্রার্থীরা নির্বাচনের জন্য অনলাইনে ও সশরীরে নিজেদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।’
এবার তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দুই মাসের মতো সময় হাতে রাখতে চায় বলে জানিয়েছেন ইসি। লম্বা সময় হাতে রেখেই নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাধারণত ভোটের ৪০-৪৫ দিন আগে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করি। সে অনুযায়ী নভেম্বরের যেকোনো দিন তফসিল ঘোষণা করা হবে।’ তবে নির্বাচনের তফসিল নিয়ে এখনো কোনো বৈঠক হয়নি বলেও তিনি জানান।
বাংলাদেশের সংবিধান আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদের পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী সংসদ নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে। অন্যদিকে বর্তমান চলমান সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হবে আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারি। এর আগের ৯০ দিন; সে নিয়ম অনুযায়ী আগামী পহেলা নভেম্বর থেকে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। তবে ভোটের তফসিল কবে ঘোষণা করতে হবে, এ বিষয়ে আইনে সুনির্দিষ্ট কিছু উল্লেখ করা নেই।