
বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে অবরোধের নামে বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতা প্রতিরোধ করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন বিএনপি-জামায়াত গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা হরতাল অবরোধের নামে আগুনসন্ত্রাস করছে। এসময় আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণকে প্রতিরোধে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। অগ্নিসংযোগে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
পোষাক শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পোশাকশ্রমিকদের মজুরি যা বাড়ানো হয়েছে, তা নিয়েই তাদের কাজ করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, পোশাকশ্রমিকদের মজুরি দফায় দফায় বাড়িয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। এবার ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। শতকরা ৫৬ ভাগ বাড়ানো হয়েছে। আন্দোলনের নামে ১৯টি কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে। যারা শ্রমিকদের উস্কানি দিচ্ছে, তারাই এদের ধ্বংস করবে। এটা শ্রমিকদের বুঝতে হবে। আমরা জনগণের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকারে বিশ্বাস করি। জনগণের ভোটের মাধ্যমেই আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসেছে। আমরা মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছি। ৭৫-এর পর অস্ত্রের দেখিয়ে যেসব সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, তারা সন্ত্রাস ও লুটপাট ছাড়া জনগণকে কিছুই দিতে পারেনি।
যখনই সুযোগ সময় আসে শ্রমিকদের সব রকম সুবিধা আমরা করে দিই। কিন্তু তারা যদি সেটা না করে, কারও প্ররোচনায় রাস্তায় নেমে…এরাই তো যারা উসকানি দিচ্ছে, তারাই তাদের (শ্রমিক) লাশ ফেলবে। এরাই এমন অবস্থা সৃষ্টি করবে যাতে তারা চাকরি হারাবে, কাজ হারাবে, গ্রামে গিয়ে পড়ে থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘এখন তারা কী চায়? কারখানা ধ্বংস হয়ে গেলে উৎপাদন ব্যাহত হয়, রপ্তানি ব্যাহত হয়, তাহলে তাদের কাজ থাকবে কোথায়? এটা তো তাদের বুঝতে হবে। আর উসকানিদাতা কারা?’
শ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমার কাছে খবর আছে, আজকে তাদেরকে রাস্তায় নামানো হয়েছে। শ্রমিকদের এইভাবে রাস্তায় নামাবে এবং ওরাই তাদের এজেন্ট ঢুকাবে, ওদের ক্ষতি করবে, দরকার হলে লাশ ফেলবে এবং দেশের অবস্থা আরও অস্থিতিশীল করবে। অনেক জায়গায় অনেক কিছু চেষ্টা করে যখন পারেনি, তখন দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষে এই কান্ড করছে তারা।’