
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যে ভিসানীতি ঘোষণা করেছে, তা অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাওয়াকে আরও জোরালো করেছে। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন করার দায় নির্বাচন কমিশনের।যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিনকেন গত ৩ মে চিঠি দিয়ে নতুন ভিসা নীতি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যে ভিসানীতি ঘোষণা করেছে, তা অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাওয়াকে আরও জোরালো করেছে। তবে সুষ্ঠু নির্বাচন করার দায় নির্বাচন কমিশনের।যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিনকেন গত ৩ মে চিঠি দিয়ে নতুন ভিসা নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানায় বাংলাদেশকে। ওই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ভূয়সী প্রশংসা’ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, আমরা যে নীতি প্রকাশ করলাম, সেটি প্রধানমন্ত্রীর যে আগ্রহ অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন করার, সেটিকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নেওয়ার জন্য এটি ঘোষণা করা হয়েছে। সুতরাং তারা যেটি করেছে ভালো বলে তিনি জানান।ওই চিঠি ৩ মে পাঠানো হলেও এত দিন জানাননি কেন, জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘তারা জানাক। তাদের নীতি আমরা জানাবো কেন?বাড়তি চাপ অনুভব করছেন কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একদম না। তারা তাদের কাজ করেছে; আমরা আমাদের কাজ করবো।
প্রসঙ্গত, এর আগে বুধবার (২৪ মে) রাতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়েছে নির্বাচনে কারচুপি বা সহযোগিতাকারীকে ভিসা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।