স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ একই ফ্যানে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩
  • ১৭২৩ বার পড়া হয়েছে
রাজধানী ঢাকার একটি বাসায় স্বামী ও স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গিয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব রামপুরা তিতাস রোডের একটি টিনশেড ঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের জন্য ভোর বেলায় লাশগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃতরা হলেন- দিনমজুর জুয়েল (২৮) ও তার স্ত্রী গৃহপরিচারিকা নাসরিন আক্তার (২২)। জুয়েলের বাড়ি কুড়িগ্রামে। তার বাবার নাম আজাদুর খন্দকার। আর নাসরিনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়। তার বাবার নাম সিদ্দিকুর রহমান। তারা দুইজন আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করছেন স্বজনরা।
স্বজনরা জানায়, গত সাড়ে ৩ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের একটি সন্তান হলেও ৯-১০ মাস আগে সে সন্তান মারা যায়। মৃত নাসরিনের বড় ভাই টিটু মিয়া বলেন, গত ৮ থেকে ৯ মাস ধরে পূর্ব রামপুরার তিতাস রোডে নোয়াখালী বাড়িতে ভাড়া থাকতেন জুয়েল ও নাসরিন। গত এক সপ্তাহ যাবৎ নাসরিন জ্বরাক্রান্ত। বাসায় ফিরে আমি তাদেরকে ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়িওয়ালার মাধ্যমে রুমের দরজা খুলি। এরপর ভেতরে ঢুকে দেখি একটি ফ্যানের সঙ্গে দুটি ওড়না বেঁধে জুয়েল ও নাসরিন গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা থানায় খবর দেই। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর সিআইডির টিম যায়। তারাই ঝুলন্ত অবস্থা থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ একই ফ্যানে

আপডেট সময় : ০১:২০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩
রাজধানী ঢাকার একটি বাসায় স্বামী ও স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গিয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব রামপুরা তিতাস রোডের একটি টিনশেড ঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের জন্য ভোর বেলায় লাশগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃতরা হলেন- দিনমজুর জুয়েল (২৮) ও তার স্ত্রী গৃহপরিচারিকা নাসরিন আক্তার (২২)। জুয়েলের বাড়ি কুড়িগ্রামে। তার বাবার নাম আজাদুর খন্দকার। আর নাসরিনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়। তার বাবার নাম সিদ্দিকুর রহমান। তারা দুইজন আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করছেন স্বজনরা।
স্বজনরা জানায়, গত সাড়ে ৩ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের একটি সন্তান হলেও ৯-১০ মাস আগে সে সন্তান মারা যায়। মৃত নাসরিনের বড় ভাই টিটু মিয়া বলেন, গত ৮ থেকে ৯ মাস ধরে পূর্ব রামপুরার তিতাস রোডে নোয়াখালী বাড়িতে ভাড়া থাকতেন জুয়েল ও নাসরিন। গত এক সপ্তাহ যাবৎ নাসরিন জ্বরাক্রান্ত। বাসায় ফিরে আমি তাদেরকে ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়িওয়ালার মাধ্যমে রুমের দরজা খুলি। এরপর ভেতরে ঢুকে দেখি একটি ফ্যানের সঙ্গে দুটি ওড়না বেঁধে জুয়েল ও নাসরিন গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা থানায় খবর দেই। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এরপর সিআইডির টিম যায়। তারাই ঝুলন্ত অবস্থা থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।