ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইকুয়েডরে ‘গ্যাং ওয়ারে’ নিহত ৩১

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩
  • ১৬৫৬ বার পড়া হয়েছে

ইকুয়েডরের সবচেয়ে বিপজ্জনক কারাগার বলে খ্যাত গুয়াকিলের গুয়াআস। এই কারাগারে গ্যাং ওয়ারে অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছে। কারাগারে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পরপরই দেশের কারাগারগুলোতে ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গুয়াকিল প্রশাসনের কৌঁসুলি জানিয়েছে, কারাগারে বিভিন্ন গ্যাংয়ের মধ্যকার সংঘর্ষে অন্তত ৩১ জন নিহত নিহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২ হাজার ৭০০ অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে গুয়াআস কারাগারে। কৌঁসুলি আরও জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষ গ্যাংগুলোর মধ্যকার সংঘর্ষে আরও অন্তত ১৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুয়াআস কারাগারের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। কারাগারটিতে বর্তমানে ৫ হাজার ৬০০ বন্দী রয়েছেন। গ্যাং ওয়ারের সময় অন্তত ১২০ জন কারারক্ষীকে জিম্মি করেছিল গ্যাংগুলো। তাদের সবাইকে মুক্ত করা হয়েছে। দেশের ৬টি কারাগারে এই সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। কারাগারে সংঘর্ষের ঘটনায় দেশের কারাগারগুলোতে ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গুইলারমো ল্যাসো। এক নির্বাহী আদেশে ল্যাসো এই জরুরি অবস্থা জারি করেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইকুয়েডরে ‘গ্যাং ওয়ারে’ নিহত ৩১

আপডেট সময় : ০৮:১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০২৩

ইকুয়েডরের সবচেয়ে বিপজ্জনক কারাগার বলে খ্যাত গুয়াকিলের গুয়াআস। এই কারাগারে গ্যাং ওয়ারে অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছে। কারাগারে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পরপরই দেশের কারাগারগুলোতে ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গুয়াকিল প্রশাসনের কৌঁসুলি জানিয়েছে, কারাগারে বিভিন্ন গ্যাংয়ের মধ্যকার সংঘর্ষে অন্তত ৩১ জন নিহত নিহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২ হাজার ৭০০ অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে গুয়াআস কারাগারে। কৌঁসুলি আরও জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষ গ্যাংগুলোর মধ্যকার সংঘর্ষে আরও অন্তত ১৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুয়াআস কারাগারের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। কারাগারটিতে বর্তমানে ৫ হাজার ৬০০ বন্দী রয়েছেন। গ্যাং ওয়ারের সময় অন্তত ১২০ জন কারারক্ষীকে জিম্মি করেছিল গ্যাংগুলো। তাদের সবাইকে মুক্ত করা হয়েছে। দেশের ৬টি কারাগারে এই সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। কারাগারে সংঘর্ষের ঘটনায় দেশের কারাগারগুলোতে ৬০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গুইলারমো ল্যাসো। এক নির্বাহী আদেশে ল্যাসো এই জরুরি অবস্থা জারি করেন।