আদিবাসী ৩ ভাই বোনের চমক

ছবিঃ সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে  আদিবাসী যমজ তিন ভাই-বোন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন তারা । গতকাল শুক্রবার (২৮ জুলাই) দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলে একসঙ্গে আদিবাসী যমজ এক ভাই ও দুই বোন জিপিএ-৫ পেয়ে এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছে।

যমজ তিন ভাই-বোন, ভাই লাসার সৌরভ মুর্মু, বোন মেরি মৌমিতা মুর্মু ও মারতা জেনিভিয়া মুর্মু। তারা তিন ভাইবোন বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

বাবা জোহানেস মুর্মু একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। মা সোহাগীনি হাসদা একজন গৃহিনী। তারা বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাদের স্বপ্ন- লাসার সৌরভ মুর্মু ইঞ্জিনিয়ার এবং দুই বোন ডাক্তার হবেন।

আমাদের এই জমজ তিন সন্তানের ফলাফলে আমরা গর্বিত এবং আনন্দিত বলে জানান বাবা জোহানেস মুর্মু ও মা সোহাগীনি হাসদা। তারা আরও বলেন, তাদের ঘিরে আমাদের বেঁচে থাকা, অনেক কষ্ট করে তাদের লেখাপড়া করাচ্ছি। তারা বড় হয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবে। যদি সরকার আমার ছেলে মেয়েদের একটু সহযোগিতা করেন তাহলে আমাদের অনেক উপকার হবে এবং অনেকটা কষ্ট দূর হবে।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদিবাসী ৩ ভাই বোনের চমক

আপডেট সময় : ০৮:১৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে  আদিবাসী যমজ তিন ভাই-বোন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন তারা । গতকাল শুক্রবার (২৮ জুলাই) দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলে একসঙ্গে আদিবাসী যমজ এক ভাই ও দুই বোন জিপিএ-৫ পেয়ে এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছে।

যমজ তিন ভাই-বোন, ভাই লাসার সৌরভ মুর্মু, বোন মেরি মৌমিতা মুর্মু ও মারতা জেনিভিয়া মুর্মু। তারা তিন ভাইবোন বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

বাবা জোহানেস মুর্মু একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। মা সোহাগীনি হাসদা একজন গৃহিনী। তারা বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাদের স্বপ্ন- লাসার সৌরভ মুর্মু ইঞ্জিনিয়ার এবং দুই বোন ডাক্তার হবেন।

আমাদের এই জমজ তিন সন্তানের ফলাফলে আমরা গর্বিত এবং আনন্দিত বলে জানান বাবা জোহানেস মুর্মু ও মা সোহাগীনি হাসদা। তারা আরও বলেন, তাদের ঘিরে আমাদের বেঁচে থাকা, অনেক কষ্ট করে তাদের লেখাপড়া করাচ্ছি। তারা বড় হয়ে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হবে। যদি সরকার আমার ছেলে মেয়েদের একটু সহযোগিতা করেন তাহলে আমাদের অনেক উপকার হবে এবং অনেকটা কষ্ট দূর হবে।