অং সান সু চি’র সাধারন ক্ষমা ঘোষনা

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেতা অং সান সু চি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই কারাগারে বন্দি ছিলেন। এবার অং সান সু চির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে জান্তা প্রশাসন।

দেশটির সামরিক সরকার সু চি সহ মোট সাত হাজারের বেশি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছেন। মঙ্গলবার ১ আগস্ট মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর জানানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত অং সান সু চিকে ক্ষমা করেছেন রাষ্ট্রীয় প্রশাসন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সু চির পাশাপাশি মিয়ানমারের সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টও দুই বছরেরও বেশি সময় পর ছাড়া পেয়েছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময় সু চিসহ বেসামরিক সরকারের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। এর পর সু চির বিরুদ্ধে অন্তত ১৯টি অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিচার শুরু করে জান্তা সরকার।

৭৮ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে ৩৩ বছরের সাজা দিয়েছিলেন মিয়ানমারের আদালত।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অং সান সু চি’র সাধারন ক্ষমা ঘোষনা

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অগাস্ট ২০২৩

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেতা অং সান সু চি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই কারাগারে বন্দি ছিলেন। এবার অং সান সু চির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে জান্তা প্রশাসন।

দেশটির সামরিক সরকার সু চি সহ মোট সাত হাজারের বেশি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছেন। মঙ্গলবার ১ আগস্ট মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর জানানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত অং সান সু চিকে ক্ষমা করেছেন রাষ্ট্রীয় প্রশাসন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সু চির পাশাপাশি মিয়ানমারের সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টও দুই বছরেরও বেশি সময় পর ছাড়া পেয়েছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময় সু চিসহ বেসামরিক সরকারের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। এর পর সু চির বিরুদ্ধে অন্তত ১৯টি অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিচার শুরু করে জান্তা সরকার।

৭৮ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে ৩৩ বছরের সাজা দিয়েছিলেন মিয়ানমারের আদালত।