ভারত-পাকিস্তানকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্তা

বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার ওয়াশিংটনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এশিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান প্রসঙ্গে কথা বলেছে।

ব্রিফিংয়ে বলা হয় ভারত পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনাকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাথিউ মিলার বলেন, আমরা অনেক আগেই বলেছি, আমরা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনাকে সমর্থন করি। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান দীর্ঘদিনের। বিরোধ মিটিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর পর যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন চাই। এটা যেমন খুব গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যেসব অস্বাভাবিকতা দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কাঁটা হয়ে বিঁধে আছে, সেগুলো অপসারণ করা জরুরি। অন্যথায় আমরা প্রতিবেশীর সঙ্গে স্বাভাবিক হতে পারব না এবং আলোচনার ভিত্তিতে পারস্পরিক সমস্যার সমাধানের পথও বন্ধ থাকবে।’

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত-পাকিস্তানকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বার্তা

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৩

বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার ওয়াশিংটনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এশিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান প্রসঙ্গে কথা বলেছে।

ব্রিফিংয়ে বলা হয় ভারত পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনাকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাথিউ মিলার বলেন, আমরা অনেক আগেই বলেছি, আমরা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনাকে সমর্থন করি। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান দীর্ঘদিনের। বিরোধ মিটিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর পর যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন চাই। এটা যেমন খুব গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যেসব অস্বাভাবিকতা দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কাঁটা হয়ে বিঁধে আছে, সেগুলো অপসারণ করা জরুরি। অন্যথায় আমরা প্রতিবেশীর সঙ্গে স্বাভাবিক হতে পারব না এবং আলোচনার ভিত্তিতে পারস্পরিক সমস্যার সমাধানের পথও বন্ধ থাকবে।’