স্ত্রীর সঙ্গে অভিমানে পুলিশের আত্নহত্যা

পঞ্চগড়ে দায়িত্ব পালন অবস্থায় নিজ রাইফেলের গুলিতে ফিরোজ আহম্মেদ (২৭) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে তিনি আত্নহত্যা করেছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলা শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে পুলিশ বক্সে এ ঘটনা ঘটে। ফিরোজের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর আফতাবগঞ্জ এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আবু সাঈদের ছেলে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, ফিরোজ গত ৩১ জুলাই পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকে গার্ডে যোগদান করেছিলন।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জেলা শহরের ব্যাংকে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজ রাইফেল দিয়ে গলায় গুলি করেন। এ সময় অন্যান্য সহকর্মীরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ফিরোজকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মির্জা সাইদুল ইসলাম জানান, রাত আড়াইটার দিকে তার সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় তার মুখ, নাক, কান ও মাথা দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ, হাসপাতাল ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ তার স্ত্রী উপমার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ফিরোজ গলায় গুলি চালান। ফিরোজের স্ত্রী উপমাও পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমানে পুলিশের আত্নহত্যা

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩

পঞ্চগড়ে দায়িত্ব পালন অবস্থায় নিজ রাইফেলের গুলিতে ফিরোজ আহম্মেদ (২৭) নামের এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে তিনি আত্নহত্যা করেছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে জেলা শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে পুলিশ বক্সে এ ঘটনা ঘটে। ফিরোজের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর আফতাবগঞ্জ এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আবু সাঈদের ছেলে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, ফিরোজ গত ৩১ জুলাই পঞ্চগড় সোনালী ব্যাংকে গার্ডে যোগদান করেছিলন।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জেলা শহরের ব্যাংকে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজ রাইফেল দিয়ে গলায় গুলি করেন। এ সময় অন্যান্য সহকর্মীরা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ফিরোজকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মির্জা সাইদুল ইসলাম জানান, রাত আড়াইটার দিকে তার সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় তার মুখ, নাক, কান ও মাথা দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ, হাসপাতাল ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ তার স্ত্রী উপমার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ফিরোজ গলায় গুলি চালান। ফিরোজের স্ত্রী উপমাও পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।