ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭৮ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি!

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৬৫৭ বার পড়া হয়েছে

শেখার আগ্রহ থাকলে বয়স কখনওই বাধা হতে পারে না— এই কথা আবারও প্রমাণ করলেন ৭৮ বছর বয়সি মিজোরামের এক বৃদ্ধ।

৩ কিলোমিটার হেঁটে স্কুলের পোশাক পরে, কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে লালরিংথারা নামের সেই বৃদ্ধ রোজ স্কুলে যান। মিজোরামের চমফাই জেলার রুআইকাবন গ্রামের বাসিন্দা লালরিংথারা।

তিনি চলতি শিক্ষাবর্ষে রুআইকাবন গ্রামের রাষ্ট্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা অভিযান উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছেন।

১৯৪৫ সালে জন্ম হয় লালরিংথারার। তবে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর আর পড়া হয়নি তার।

বাবার মৃত্যুর পর বাড়ির একমাত্র ছেলে হিসাবে মাকে মাঠের কাজে সাহায্য করতেন তিনি। মিজোরামের বিভিন্ন জেলায় বসতি স্থাপনের পর ১৯৯৫ সালে শেষমেশ তিনি রুআইকাবন গ্রামেই বাকি জীবনটা কাটাবেন বলে স্থির করেন।

দারিদ্র্যের কারণে যে পড়াশোনা বন্ধ করতে হয়েছিল এখন আবার তা শুরু করতে পেরে খুশি লালরিংথারা।

ইংরেজিতে আবেদনপত্র লিখতে পারা এবং টেলিভিশনের সংবাদগুলি সঠিক ভাবে বুঝতে পারার জন্যই তিনি আবার স্কুলে ভর্তি হয়েছেন। এখন গির্জায় দ্বাররক্ষকের কাজ করে লালরিংথারা, এর পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে চান তিনি।

মিজোরামের স্থানীয় ভাষা ভাল ভাবেই লিখতে আর পড়তে পারেন তিনি। তবে, ইংরেজিতেই যত সমস্যা। ইংরেজি শেখার তাগিদ থেকেই আবার স্কুলে ভর্তি হলেন লালরিংথারা।

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৭৮ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি!

আপডেট সময় : ০২:০৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৩

শেখার আগ্রহ থাকলে বয়স কখনওই বাধা হতে পারে না— এই কথা আবারও প্রমাণ করলেন ৭৮ বছর বয়সি মিজোরামের এক বৃদ্ধ।

৩ কিলোমিটার হেঁটে স্কুলের পোশাক পরে, কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে লালরিংথারা নামের সেই বৃদ্ধ রোজ স্কুলে যান। মিজোরামের চমফাই জেলার রুআইকাবন গ্রামের বাসিন্দা লালরিংথারা।

তিনি চলতি শিক্ষাবর্ষে রুআইকাবন গ্রামের রাষ্ট্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা অভিযান উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছেন।

১৯৪৫ সালে জন্ম হয় লালরিংথারার। তবে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর আর পড়া হয়নি তার।

বাবার মৃত্যুর পর বাড়ির একমাত্র ছেলে হিসাবে মাকে মাঠের কাজে সাহায্য করতেন তিনি। মিজোরামের বিভিন্ন জেলায় বসতি স্থাপনের পর ১৯৯৫ সালে শেষমেশ তিনি রুআইকাবন গ্রামেই বাকি জীবনটা কাটাবেন বলে স্থির করেন।

দারিদ্র্যের কারণে যে পড়াশোনা বন্ধ করতে হয়েছিল এখন আবার তা শুরু করতে পেরে খুশি লালরিংথারা।

ইংরেজিতে আবেদনপত্র লিখতে পারা এবং টেলিভিশনের সংবাদগুলি সঠিক ভাবে বুঝতে পারার জন্যই তিনি আবার স্কুলে ভর্তি হয়েছেন। এখন গির্জায় দ্বাররক্ষকের কাজ করে লালরিংথারা, এর পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে চান তিনি।

মিজোরামের স্থানীয় ভাষা ভাল ভাবেই লিখতে আর পড়তে পারেন তিনি। তবে, ইংরেজিতেই যত সমস্যা। ইংরেজি শেখার তাগিদ থেকেই আবার স্কুলে ভর্তি হলেন লালরিংথারা।